পুরোনো একটি মামলায় নতুন করে আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। ২০১০ সালের একটি মামলায় বারবার আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির একটি আদালত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝাঁসির প্রেম নগরের বাসিন্দা লক্ষ্মণ পারিবারিক বিরোধের জেরে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘রাখি কা ইনসাফ’-এ অংশ নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন রাখি সাওয়ান্ত।
অভিযোগ রয়েছে, অনুষ্ঠানে লক্ষ্মণকে উদ্দেশ করে রাখি বেশ কিছু অপমানজনক ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। একপর্যায়ে তাঁকে ‘নপুংসক’ বলেও কটাক্ষ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মন্তব্যের কারণে লক্ষ্মণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন এবং সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের।
২০১০ সালের নভেম্বর মাসে লক্ষ্মণের মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর পর তাঁর মা সাবিত্রী প্রেম নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ওই বছরের অক্টোবরে প্রচারিত ‘রাখি কা ইনসাফ’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে তাঁর ছেলেকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছিল।এ ঘটনায় রাখি সাওয়ান্তসহ চারজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার অভিযোগে মামলা করা হয়।
মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে রাখি সাওয়ান্তকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে বলা হয়েছিল। তবে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে। এ পরিস্থিতিতে শনিবার বিচারক তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।পুরোনো এই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ফলে রাখি সাওয়ান্তের আইনি জটিলতা আরও বাড়ল।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
পুরোনো একটি মামলায় নতুন করে আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। ২০১০ সালের একটি মামলায় বারবার আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির একটি আদালত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝাঁসির প্রেম নগরের বাসিন্দা লক্ষ্মণ পারিবারিক বিরোধের জেরে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘রাখি কা ইনসাফ’-এ অংশ নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন রাখি সাওয়ান্ত।
অভিযোগ রয়েছে, অনুষ্ঠানে লক্ষ্মণকে উদ্দেশ করে রাখি বেশ কিছু অপমানজনক ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। একপর্যায়ে তাঁকে ‘নপুংসক’ বলেও কটাক্ষ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মন্তব্যের কারণে লক্ষ্মণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন এবং সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের।
২০১০ সালের নভেম্বর মাসে লক্ষ্মণের মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর পর তাঁর মা সাবিত্রী প্রেম নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ওই বছরের অক্টোবরে প্রচারিত ‘রাখি কা ইনসাফ’ অনুষ্ঠানের একটি পর্বে তাঁর ছেলেকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়েছিল।এ ঘটনায় রাখি সাওয়ান্তসহ চারজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করার অভিযোগে মামলা করা হয়।
মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে রাখি সাওয়ান্তকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে বলা হয়েছিল। তবে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি বলে জানা গেছে। এ পরিস্থিতিতে শনিবার বিচারক তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।পুরোনো এই মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ফলে রাখি সাওয়ান্তের আইনি জটিলতা আরও বাড়ল।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন