রাজধানীর ডেমরায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে আড়াই বছরের এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় এই জঘন্যতম ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়ার পর এলাকাবাসী অভিযুক্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ডেমরার সারুলিয়া এলাকার ‘সামছুল হক খান জেনারেল হাসপাতালে’ এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত ওয়ার্ডবয়ের নাম নূর নবী (২৮)। সে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার সিন্নিরচর গ্রামের মৃত শহীদ শিকদারের ছেলে।
যেভাবে ঘটে ঘটনাটি
ভুক্তভোগী শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ মে দিবাগত রাতে শিশুটির মা দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। মায়ের সঙ্গে শিশুটিও হাসপাতালের কেবিনে অবস্থান করছিল। অবসরে শিশুটি প্রায়ই হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে টেলিভিশন দেখতে যেত।
শুক্রবার বিকেলে ওয়েটিং রুমটি ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় ওয়ার্ডবয় নূর নবী। সেখানে কোনো নার্স বা কর্তব্যরত কর্মী না থাকায় সে শিশুটিকে নানা কৌশলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। ভিডিও ফুটেজটি জানাজানি হতেই হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে নূর নবীকে আটক করে পুলিশে দেয়। এই ঘটনায় শুক্রবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ডেমরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নীরবতা
এমন স্পর্শকাতর ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ‘সামছুল হক জেনারেল হাসপাতালে’র মালিক ডা. এনামুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং ক্ষুদে বার্তা (SMS) পাঠানো হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পুলিশ যা বলছে
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাইফুর রহমান মির্জা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মানুষের নৈতিক অবক্ষয় এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা ভাবা যায় না। হাসপাতালে আড়াই বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া বা ছাড় দেওয়া হবে না।" তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীর বাবার মামলায় নূর নবীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
রাজধানীর ডেমরায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে আড়াই বছরের এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় এই জঘন্যতম ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়ার পর এলাকাবাসী অভিযুক্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ডেমরার সারুলিয়া এলাকার ‘সামছুল হক খান জেনারেল হাসপাতালে’ এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত ওয়ার্ডবয়ের নাম নূর নবী (২৮)। সে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার সিন্নিরচর গ্রামের মৃত শহীদ শিকদারের ছেলে।
যেভাবে ঘটে ঘটনাটি
ভুক্তভোগী শিশুটির পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ মে দিবাগত রাতে শিশুটির মা দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। মায়ের সঙ্গে শিশুটিও হাসপাতালের কেবিনে অবস্থান করছিল। অবসরে শিশুটি প্রায়ই হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে টেলিভিশন দেখতে যেত।
শুক্রবার বিকেলে ওয়েটিং রুমটি ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় ওয়ার্ডবয় নূর নবী। সেখানে কোনো নার্স বা কর্তব্যরত কর্মী না থাকায় সে শিশুটিকে নানা কৌশলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তবে হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। ভিডিও ফুটেজটি জানাজানি হতেই হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে নূর নবীকে আটক করে পুলিশে দেয়। এই ঘটনায় শুক্রবার রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ডেমরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নীরবতা
এমন স্পর্শকাতর ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ‘সামছুল হক জেনারেল হাসপাতালে’র মালিক ডা. এনামুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল এবং ক্ষুদে বার্তা (SMS) পাঠানো হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পুলিশ যা বলছে
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাইফুর রহমান মির্জা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "মানুষের নৈতিক অবক্ষয় এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে তা ভাবা যায় না। হাসপাতালে আড়াই বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া বা ছাড় দেওয়া হবে না।" তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীর বাবার মামলায় নূর নবীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন