English / বাংলা
Editorial News 24

শাস্তির বিকল্প পন্থা ছিল বলে মন্তব্য, ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলকে ‘মাথা কেটে ফেলা’ শাস্তি বললেন আরজে গোলাম কিবরিয়া সরকার



আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলকে ‘মাথা কেটে ফেলা’ শাস্তি বললেন আরজে গোলাম কিবরিয়া সরকার
RJ Kebria

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় রেডিও জকি (আরজে) ও ইউটিউবার গোলাম কিবরিয়া সরকার।

রোববার (১৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, শাস্তি দেওয়ার আরও অনেক বিকল্প পন্থা ছিল। তার মতে, এই সিদ্ধান্তটি “মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার মতো” চরম পদক্ষেপ হয়ে গেছে।

তিনি আরও লিখেছেন, আদ্-দ্বীন ও ইবনে সীনা মতো হাসপাতালগুলো দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ ভরসাস্থল। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় সাধারণ মানুষ উপকৃত হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

এর আগে ১২ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

ঘটনাটি ঘটে ২৭ মে, হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে। সেদিন এক থেকে চার দিনের মধ্যে বয়সী ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ভিড়, দীর্ঘসময় এসি বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশনের অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন ৪ জুন প্রকাশ করা হয় এবং এরপরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। পরবর্তীতে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমত ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলকে ‘মাথা কেটে ফেলা’ শাস্তি বললেন আরজে গোলাম কিবরিয়া সরকার

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় রেডিও জকি (আরজে) ও ইউটিউবার গোলাম কিবরিয়া সরকার।

রোববার (১৪ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, শাস্তি দেওয়ার আরও অনেক বিকল্প পন্থা ছিল। তার মতে, এই সিদ্ধান্তটি “মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার মতো” চরম পদক্ষেপ হয়ে গেছে।

তিনি আরও লিখেছেন, আদ্-দ্বীন ও ইবনে সীনা মতো হাসপাতালগুলো দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ ভরসাস্থল। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় সাধারণ মানুষ উপকৃত হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

এর আগে ১২ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

ঘটনাটি ঘটে ২৭ মে, হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে। সেদিন এক থেকে চার দিনের মধ্যে বয়সী ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ভিড়, দীর্ঘসময় এসি বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশনের অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন ৪ জুন প্রকাশ করা হয় এবং এরপরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। পরবর্তীতে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমত ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0