English / বাংলা
Editorial News 24

তবে সেদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ়তায় অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ ড্র করেছে আফগানিস্তান

জয়ের দ্বারপ্রান্ত থেকে ড্র করল বাংলাদেশ


প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

জয়ের দ্বারপ্রান্ত থেকে ড্র করল বাংলাদেশ

জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। পঞ্চম ও শেষ দিনে আফগানিস্তানের বাকি সাতটি উইকেট তুলে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। তবে সেদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ়তায় অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ ড্র করেছে আফগানিস্তান।

শেষ দিনে জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩৪৭ রান। অন্যদিকে, বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে নেওয়া। শুরুতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচ বাঁচিয়ে নেয় আফগানরা।

পঞ্চম দিনের খেলা শুরু হয় ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাসমতউল্লাহ শহীদি সতর্ক ব্যাটিংয়ে দিনের প্রথম ভাগ পার করার চেষ্টা করেন। তবে প্রচণ্ড গরমে ক্র্যাম্পের কারণে ৩৩ বলে ২০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন শহীদি।

লাঞ্চের আগে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন এবাদত হোসেন। তাঁর বলে পুল করতে গিয়ে ব্যাটের বাইরের কানায় বল লাগিয়ে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন ইকরাম আলিখিল। ৬৯ বলে ৩৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর সেদিকুল্লাহ আতালের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন ইসমত আলম। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৪ রান করে আউট হন তিনি। পরে আবার ব্যাটিংয়ে ফেরা হাসমতউল্লাহ শহীদিকে ফিরিয়েও বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন মিরাজ। ৬৯ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন আফগান অধিনায়ক।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান আতাল। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের বোলারদের আটকে রেখে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই আফগান ওপেনার। ৩৩২ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১১১ রান করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত তাইজুল ইসলামের বলে শর্ট লেগে তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন আতাল। তাঁর আউটের পর বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কিন্তু শেষ দিকে ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি টাইগাররা।

একাধিকবার উইকেট নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেও আফগানিস্তানের শেষ দিকের প্রতিরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ফলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় স্বাগতিকদের।বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ তিনটি করে উইকেট নেন। এ ছাড়া হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসান একটি করে উইকেট শিকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


জয়ের দ্বারপ্রান্ত থেকে ড্র করল বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। পঞ্চম ও শেষ দিনে আফগানিস্তানের বাকি সাতটি উইকেট তুলে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। তবে সেদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ়তায় অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ ড্র করেছে আফগানিস্তান।

শেষ দিনে জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩৪৭ রান। অন্যদিকে, বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে নেওয়া। শুরুতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচ বাঁচিয়ে নেয় আফগানরা।

পঞ্চম দিনের খেলা শুরু হয় ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাসমতউল্লাহ শহীদি সতর্ক ব্যাটিংয়ে দিনের প্রথম ভাগ পার করার চেষ্টা করেন। তবে প্রচণ্ড গরমে ক্র্যাম্পের কারণে ৩৩ বলে ২০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন শহীদি।

লাঞ্চের আগে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন এবাদত হোসেন। তাঁর বলে পুল করতে গিয়ে ব্যাটের বাইরের কানায় বল লাগিয়ে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন ইকরাম আলিখিল। ৬৯ বলে ৩৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর সেদিকুল্লাহ আতালের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন ইসমত আলম। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৪ রান করে আউট হন তিনি। পরে আবার ব্যাটিংয়ে ফেরা হাসমতউল্লাহ শহীদিকে ফিরিয়েও বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন মিরাজ। ৬৯ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন আফগান অধিনায়ক।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং চালিয়ে যান আতাল। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের বোলারদের আটকে রেখে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই আফগান ওপেনার। ৩৩২ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১১১ রান করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত তাইজুল ইসলামের বলে শর্ট লেগে তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন আতাল। তাঁর আউটের পর বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কিন্তু শেষ দিকে ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি টাইগাররা।

একাধিকবার উইকেট নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেও আফগানিস্তানের শেষ দিকের প্রতিরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ফলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় স্বাগতিকদের।বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ তিনটি করে উইকেট নেন। এ ছাড়া হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসান একটি করে উইকেট শিকার করেন।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0