যুক্তরাষ্ট্রে এক মা তাঁর মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় OpenAI–এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মেয়েটির মানসিক অবস্থার অবনতি এবং পরবর্তী মৃত্যুর সঙ্গে চ্যাটবট ব্যবহারের একটি সম্পর্ক ছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, মেয়েটি দীর্ঘ সময় ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের সঙ্গে কথোপকথন করতেন। তাঁর মা দাবি করেন, ওই কথোপকথনগুলো মেয়ের মানসিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক না হয়ে বরং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছিল।
অন্যদিকে, ওপেনএআই জানিয়েছে যে তারা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং ক্ষতিকর বা আত্মঘাতী আচরণ উৎসাহিত করতে পারে এমন বিষয়গুলো প্রতিরোধে নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করছে। প্রতিষ্ঠানটি আদালতের প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মামলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের চাপ বাড়াতে পারে।
মামলাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে এক মা তাঁর মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় OpenAI–এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মেয়েটির মানসিক অবস্থার অবনতি এবং পরবর্তী মৃত্যুর সঙ্গে চ্যাটবট ব্যবহারের একটি সম্পর্ক ছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, মেয়েটি দীর্ঘ সময় ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবটের সঙ্গে কথোপকথন করতেন। তাঁর মা দাবি করেন, ওই কথোপকথনগুলো মেয়ের মানসিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক না হয়ে বরং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছিল।
অন্যদিকে, ওপেনএআই জানিয়েছে যে তারা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং ক্ষতিকর বা আত্মঘাতী আচরণ উৎসাহিত করতে পারে এমন বিষয়গুলো প্রতিরোধে নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করছে। প্রতিষ্ঠানটি আদালতের প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মামলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের চাপ বাড়াতে পারে।
মামলাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা আইনগতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন