English / বাংলা
Editorial News 24

নতুন তিন স্থান নির্ধারণ

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ


প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভ ও আন্দোলন নিষিদ্ধ করেছে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে যন্তর মন্তরের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই স্থানে আর আগের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা যাবে না।

পুলিশের দাবি, মধ্য দিল্লির অতি সংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তরে নিয়মিত বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির কারণে যানজট সৃষ্টি হতো। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমও ব্যাহত হতো। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ওই এলাকার যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে প্রশাসন।যন্তর মন্তরের পরিবর্তে বিক্ষোভ ও গণ-আন্দোলনের জন্য তিনটি স্থান নির্ধারণ করেছে প্রশাসন। এগুলো হলো ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড। নতুন স্থানগুলোতে আন্দোলন পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে শিগগিরই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রকাশ করবে দিল্লি পুলিশ।

এদিকে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিতর্কের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মধ্য দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলার সময় এ সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পদক্ষেপটি বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনের সুযোগ সীমিত করার প্রচেষ্টা কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।দীর্ঘদিন ধরে যন্তর মন্তর ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদের অন্যতম পরিচিত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বঞ্চিত মানুষ, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলো সেখানে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতেন। স্থানটি বিক্ষোভের জন্য অনুপলব্ধ হওয়ায় ভবিষ্যতে নাগরিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ধরনে কী পরিবর্তন আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভ ও আন্দোলন নিষিদ্ধ করেছে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে যন্তর মন্তরের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই স্থানে আর আগের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা যাবে না।

পুলিশের দাবি, মধ্য দিল্লির অতি সংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তরে নিয়মিত বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির কারণে যানজট সৃষ্টি হতো। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমও ব্যাহত হতো। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ওই এলাকার যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে প্রশাসন।যন্তর মন্তরের পরিবর্তে বিক্ষোভ ও গণ-আন্দোলনের জন্য তিনটি স্থান নির্ধারণ করেছে প্রশাসন। এগুলো হলো ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড। নতুন স্থানগুলোতে আন্দোলন পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে শিগগিরই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রকাশ করবে দিল্লি পুলিশ।

এদিকে, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিতর্কের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মধ্য দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলার সময় এ সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পদক্ষেপটি বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনের সুযোগ সীমিত করার প্রচেষ্টা কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।দীর্ঘদিন ধরে যন্তর মন্তর ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদের অন্যতম পরিচিত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বঞ্চিত মানুষ, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলো সেখানে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতেন। স্থানটি বিক্ষোভের জন্য অনুপলব্ধ হওয়ায় ভবিষ্যতে নাগরিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ধরনে কী পরিবর্তন আসে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0