English / বাংলা
Editorial News 24

বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি ব্যয় ছিল প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে মাসিক গড় আমদানি ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভকে এই গড় ব্যয়ের হিসাবে ধরলে প্রায় ৫ দশমিক ৯৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এক বছরে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়াল ৭.৬১ বিলিয়ন ডলারে


প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

এক বছরে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়াল ৭.৬১ বিলিয়ন ডলারে

এক বছরের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৭ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের আগস্ট শেষে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের আগস্ট শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি ব্যয় ছিল প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে মাসিক গড় আমদানি ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভকে এই গড় ব্যয়ের হিসাবে ধরলে প্রায় ৫ দশমিক ৯৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৩১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন এবং অক্টোবরে ৩২ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। নভেম্বরে আবার কমে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে। ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার।চলতি বছরের জানুয়ারিতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ৩০ দশমিক ৩৫ বিলিয়নে নেমে গেলেও মার্চে বেড়ে ৩৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৩৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন এবং মে মাসে ৩৪ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।

জুনে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। জুলাই শেষে তা কিছুটা কমে ৩৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও আগস্টে আবার বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে ওঠে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক রাখা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির ফলে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ডলারের দাম বাজারভিত্তিক রাখা ও তদারকির ফলে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। প্রবাসী আয়ের চাঙ্গাভাব ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করেছে। রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বড় ভূমিকা রাখছে।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমছিল। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাজারে বিপুল পরিমাণ ডলার সরবরাহ করায় রিজার্ভে চাপ তৈরি হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী সময়ে ডলারের বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া, বৈধ পথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করে।

তবে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতির আরেকটি দিক নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি এখনো দুর্বল। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম থাকায় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানিও প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। ফলে ডলারের চাহিদা কম থাকায় রিজার্ভের ওপর চাপও তুলনামূলকভাবে কম।

অর্থাৎ শুধু বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়ার কারণেই রিজার্ভ বাড়ছে—বিষয়টি পুরোপুরি এমন নয়। বিনিয়োগ ও উৎপাদন দুর্বল থাকায় ডলারের ব্যবহারও কম। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি এখনো পুরোপুরি ফিরেনি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান রিজার্ভ পরিস্থিতি সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক। তবে দীর্ঘমেয়াদে রিজার্ভ বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো জরুরি। বিনিয়োগ বাড়লে আমদানির চাহিদা বাড়বে এবং রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। তবে সেই চাপ যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হয়, সেটি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক চাহিদা হিসেবে বিবেচিত হবে।দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বড় অংশই ডলার। রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয়, বিদেশি ঋণ ও অনুদানসহ বিভিন্ন উৎস থেকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয়, বিদেশি ঋণ পরিশোধ ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে এসব মুদ্রা ব্যয় হয়।

২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। এরপর বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশে ডলার সংকট তৈরি হয়। এতে ডলারের দাম বাড়ার পাশাপাশি রিজার্ভও কমতে থাকে।বর্তমানে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়লে আমদানির চাহিদাও বাড়বে। তখন রিজার্ভের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।

তাই শুধু রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ানো নয়, অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদনের গতি বাড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ৩৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি রিজার্ভ একদিকে যেমন স্বস্তির খবর, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতির বিষয়টিও সামনে আনছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


এক বছরে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়াল ৭.৬১ বিলিয়ন ডলারে

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

এক বছরের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৭ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের আগস্ট শেষে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের আগস্ট শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি ব্যয় ছিল প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে মাসিক গড় আমদানি ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভকে এই গড় ব্যয়ের হিসাবে ধরলে প্রায় ৫ দশমিক ৯৮ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৩১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন এবং অক্টোবরে ৩২ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। নভেম্বরে আবার কমে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে। ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার।চলতি বছরের জানুয়ারিতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ৩০ দশমিক ৩৫ বিলিয়নে নেমে গেলেও মার্চে বেড়ে ৩৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৩৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন এবং মে মাসে ৩৪ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।

জুনে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। জুলাই শেষে তা কিছুটা কমে ৩৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও আগস্টে আবার বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারে ওঠে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক রাখা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকির ফলে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ডলারের দাম বাজারভিত্তিক রাখা ও তদারকির ফলে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। প্রবাসী আয়ের চাঙ্গাভাব ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করেছে। রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বড় ভূমিকা রাখছে।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমছিল। আমদানি ব্যয় মেটাতে বাজারে বিপুল পরিমাণ ডলার সরবরাহ করায় রিজার্ভে চাপ তৈরি হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী সময়ে ডলারের বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া, বৈধ পথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করে।

তবে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতির আরেকটি দিক নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি এখনো দুর্বল। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কম থাকায় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানিও প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। ফলে ডলারের চাহিদা কম থাকায় রিজার্ভের ওপর চাপও তুলনামূলকভাবে কম।

অর্থাৎ শুধু বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়ার কারণেই রিজার্ভ বাড়ছে—বিষয়টি পুরোপুরি এমন নয়। বিনিয়োগ ও উৎপাদন দুর্বল থাকায় ডলারের ব্যবহারও কম। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি এখনো পুরোপুরি ফিরেনি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান রিজার্ভ পরিস্থিতি সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক। তবে দীর্ঘমেয়াদে রিজার্ভ বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো জরুরি। বিনিয়োগ বাড়লে আমদানির চাহিদা বাড়বে এবং রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। তবে সেই চাপ যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হয়, সেটি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক চাহিদা হিসেবে বিবেচিত হবে।দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বড় অংশই ডলার। রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয়, বিদেশি ঋণ ও অনুদানসহ বিভিন্ন উৎস থেকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। অন্যদিকে আমদানি ব্যয়, বিদেশি ঋণ পরিশোধ ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে এসব মুদ্রা ব্যয় হয়।

২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। এরপর বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশে ডলার সংকট তৈরি হয়। এতে ডলারের দাম বাড়ার পাশাপাশি রিজার্ভও কমতে থাকে।বর্তমানে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়লে আমদানির চাহিদাও বাড়বে। তখন রিজার্ভের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।

তাই শুধু রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ানো নয়, অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদনের গতি বাড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ৩৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি রিজার্ভ একদিকে যেমন স্বস্তির খবর, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতির বিষয়টিও সামনে আনছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0