English / বাংলা
Editorial News 24

আমদানি চুক্তি অনুযায়ী, ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা রয়েছে। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে।

ত্রুটির কারণে কমে গেল বিদ্যুৎ সরবরাহ


প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

ত্রুটির কারণে কমে গেল বিদ্যুৎ সরবরাহ

কারিগরি ত্রুটির কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

আমদানি চুক্তি অনুযায়ী, ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা রয়েছে। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে।পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আদানি পাওয়ার থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এরপর থেকেই সরবরাহ কমে যায় এবং ৭৫০ মেগাওয়াটের আশপাশে নেমে আসে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে সমস্যা হওয়ায় এর আগেও কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না। এর মধ্যে বয়লারের একটি অংশে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, আদানি পাওয়ারের ইউনিট-২-এর প্রধান পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ফিড ইউনিটে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে সেটি বন্ধ করা হয়।তিনি জানান, ফিড ইউনিটটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে।বিপিডিবি জানিয়েছে, মেরামতের কাজ শুরুর আগে ইউনিটটিকে পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এ কারণে ত্রুটি সারিয়ে উৎপাদন স্বাভাবিক করতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানি পাওয়ারের এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। এর আগে চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ডও রয়েছে।

এদিকে, দেশে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাস সংকট তীব্র হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ তৈরি হয়েছে। এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি ও গ্যাস আমদানিতে সংকটের কারণে নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর দেশে লোডশেডিং ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি ছিল। ১০ সেপ্টেম্বর সকালেও তা প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি ছিল। তবে দুপুর ১টার দিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের হিসাবে লোডশেডিং কমে প্রায় ৫৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ত্রুটির কারণে কমে গেল বিদ্যুৎ সরবরাহ

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কারিগরি ত্রুটির কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

আমদানি চুক্তি অনুযায়ী, ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা রয়েছে। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে।পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আদানি পাওয়ার থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এরপর থেকেই সরবরাহ কমে যায় এবং ৭৫০ মেগাওয়াটের আশপাশে নেমে আসে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে সমস্যা হওয়ায় এর আগেও কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছিল না। এর মধ্যে বয়লারের একটি অংশে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় একটি ইউনিট বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, আদানি পাওয়ারের ইউনিট-২-এর প্রধান পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ফিড ইউনিটে সমস্যা দেখা দেওয়ায় ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে সেটি বন্ধ করা হয়।তিনি জানান, ফিড ইউনিটটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে।বিপিডিবি জানিয়েছে, মেরামতের কাজ শুরুর আগে ইউনিটটিকে পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এ কারণে ত্রুটি সারিয়ে উৎপাদন স্বাভাবিক করতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানি পাওয়ারের এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। এর আগে চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ডও রয়েছে।

এদিকে, দেশে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাস সংকট তীব্র হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ তৈরি হয়েছে। এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি ও গ্যাস আমদানিতে সংকটের কারণে নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর দেশে লোডশেডিং ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি ছিল। ১০ সেপ্টেম্বর সকালেও তা প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি ছিল। তবে দুপুর ১টার দিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের হিসাবে লোডশেডিং কমে প্রায় ৫৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0