ভারতের আহমেদাবাদে ২২ বছর বয়সী তরুণী সোফিয়াকে তার বাবা ও ভাই হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোফিয়া একটি হাসপাতালে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট রাতে সোফিয়াকে মোটরসাইকেলে করে বাইরে নিয়ে যান তার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ৩৮ বছর বয়সী ভাই মোহম্মদ হাবিল। পরে গেহলজিপুরা গ্রামের কাছে একটি নির্জন সড়কে নিয়ে গিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তদন্তকারীদের।
হামলার পর সোফিয়াকে সড়কের পাশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয় বলে পুলিশের দাবি। এরপর হাবিল কর্তৃপক্ষকে জানান, পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে গেছে।গুরুতর আহত অবস্থায় সোফিয়াকে সোলা সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় তিন মাস আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে সোফিয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এরপর থেকেই তার বাবা ও ভাই ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ পুলিশের।পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন হাবিল সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ি নিয়ে বের হন। পরে বাবা ও ছেলে মিলে সোফিয়ার ওপর হামলা চালান এবং হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় সোফিয়ার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ভাই মোহম্মদ হাবিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের আহমেদাবাদে ২২ বছর বয়সী তরুণী সোফিয়াকে তার বাবা ও ভাই হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোফিয়া একটি হাসপাতালে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট রাতে সোফিয়াকে মোটরসাইকেলে করে বাইরে নিয়ে যান তার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ৩৮ বছর বয়সী ভাই মোহম্মদ হাবিল। পরে গেহলজিপুরা গ্রামের কাছে একটি নির্জন সড়কে নিয়ে গিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ তদন্তকারীদের।
হামলার পর সোফিয়াকে সড়কের পাশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয় বলে পুলিশের দাবি। এরপর হাবিল কর্তৃপক্ষকে জানান, পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে গেছে।গুরুতর আহত অবস্থায় সোফিয়াকে সোলা সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় তিন মাস আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে সোফিয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এরপর থেকেই তার বাবা ও ভাই ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ পুলিশের।পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন হাবিল সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ি নিয়ে বের হন। পরে বাবা ও ছেলে মিলে সোফিয়ার ওপর হামলা চালান এবং হত্যাকাণ্ডকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় সোফিয়ার বাবা মোহম্মদ ফারুক ও ভাই মোহম্মদ হাবিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন