অধিকৃত পশ্চিম তীরে অনুমোদনহীন ইহুদি বসতি উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে সরকারি অনুমোদন ছাড়া গড়ে ওঠা বেশ কিছু অবৈধ বসতি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এমন প্রায় ১০০টি আউটপোস্ট উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এসব বসতি উচ্ছেদের কার্যক্রম ঠিক কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সহিংসতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের ওপর কূটনৈতিক চাপও বেড়েছে।
বেসরকারি সংস্থা পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদিত বড় বসতির পাশাপাশি শত শত অননুমোদিত আউটপোস্ট রয়েছে। এসব স্থাপনার অনেকগুলো ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন জমিতে গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্যেও পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব হামলা ও সহিংসতার কারণে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে, নিজেদের বসতভিটা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন এবং ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের সামনে একদিকে আন্তর্জাতিক ও মার্কিন চাপ, অন্যদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা—দুই ধরনের চ্যালেঞ্জই রয়েছে। ফলে বসতি উচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবে কার্যকর হয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।আগামী অক্টোবরের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিষয়টি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরে অনুমোদনহীন ইহুদি বসতি উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক ও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে সরকারি অনুমোদন ছাড়া গড়ে ওঠা বেশ কিছু অবৈধ বসতি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এমন প্রায় ১০০টি আউটপোস্ট উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এসব বসতি উচ্ছেদের কার্যক্রম ঠিক কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও সহিংসতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের ওপর কূটনৈতিক চাপও বেড়েছে।
বেসরকারি সংস্থা পিস নাউয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদিত বড় বসতির পাশাপাশি শত শত অননুমোদিত আউটপোস্ট রয়েছে। এসব স্থাপনার অনেকগুলো ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন জমিতে গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্যেও পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব হামলা ও সহিংসতার কারণে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে শিশুও রয়েছে, নিজেদের বসতভিটা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন এবং ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের সামনে একদিকে আন্তর্জাতিক ও মার্কিন চাপ, অন্যদিকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা—দুই ধরনের চ্যালেঞ্জই রয়েছে। ফলে বসতি উচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবে কার্যকর হয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।আগামী অক্টোবরের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিষয়টি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন