গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করতে পারেন আপিল বিভাগ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।
নিম্ন আদালতের রায়ের পর ২০০৫ সালে ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে দণ্ডিত আসামিরাও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। এতে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। পাশাপাশি সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন—নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। তাদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম শিপু ৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান।এ ছাড়া টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন পাওয়া সাতজন হলেন—মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম এবং মশিউর রহমান ওরফে মনু।অন্যদিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া।
একই রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস দেওয়া হয় মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী ও জাহাঙ্গীরকে।
হাইকোর্টের ওই রায়ের পর দণ্ডিত আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলাটি চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখায় এখন আপিল বিভাগের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করতে পারেন আপিল বিভাগ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।
নিম্ন আদালতের রায়ের পর ২০০৫ সালে ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে দণ্ডিত আসামিরাও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। এতে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। পাশাপাশি সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন—নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। তাদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম শিপু ৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান।এ ছাড়া টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন পাওয়া সাতজন হলেন—মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম এবং মশিউর রহমান ওরফে মনু।অন্যদিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া।
একই রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে খালাস দেওয়া হয় মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী ও জাহাঙ্গীরকে।
হাইকোর্টের ওই রায়ের পর দণ্ডিত আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলাটি চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখায় এখন আপিল বিভাগের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন