কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালানোর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সম্প্রতি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজা যুদ্ধ চলাকালে কাতারে হামলা ও বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েল।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমা হামলাও চালিয়েছি। যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারাও আমার ওপর হামলা করেছে।’
শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই সাক্ষাৎকারের ভিডিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। সেখানে তিনি কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন।নেতানিয়াহুর দাবি, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলার সময় কাতার ইসরায়েলের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
দোহায় হামলার ঘটনা
গাজা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল কাতার। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে আসছে। ২০১২ সাল থেকে কাতারে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ও পরিচালিত হয়ে আসছে। কাতারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই হামাসকে তাদের রাজনৈতিক কার্যালয় পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
এরই মধ্যে ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় হামাসের পাঁচ নেতা নিহত হন। এ ঘটনায় কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মীও প্রাণ হারান।
হামাসের ওই নেতারা তখন গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য দোহায় বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠক চলার সময়ই তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে কাতার এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও দেশটির সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে।
ইরান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশও ওই হামলার নিন্দা জানায়। হামলার পর কাতারের প্রতি সংহতি জানাতে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা দোহা সফর করেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও দোহায় ইসরায়েলি হামলাকে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন।
কাতারে ইসরায়েলি হামলার প্রথম বার্ষিকী সামনে রেখে কয়েক দিন আগে সাক্ষাৎকারটির ভিডিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু।
সূত্র: আলজাজিরা
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কাতারের রাজধানী দোহায় হামলা চালানোর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সম্প্রতি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজা যুদ্ধ চলাকালে কাতারে হামলা ও বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েল।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি কাতারে হামলা করেছি, বোমা হামলাও চালিয়েছি। যুদ্ধের সময় তাদের ওপর হামলা করেছি। আর তারাও আমার ওপর হামলা করেছে।’
শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই সাক্ষাৎকারের ভিডিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। সেখানে তিনি কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেন।নেতানিয়াহুর দাবি, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান চলার সময় কাতার ইসরায়েলের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
দোহায় হামলার ঘটনা
গাজা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল কাতার। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে আসছে। ২০১২ সাল থেকে কাতারে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ও পরিচালিত হয়ে আসছে। কাতারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই হামাসকে তাদের রাজনৈতিক কার্যালয় পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
এরই মধ্যে ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় হামাসের পাঁচ নেতা নিহত হন। এ ঘটনায় কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মীও প্রাণ হারান।
হামাসের ওই নেতারা তখন গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য দোহায় বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠক চলার সময়ই তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে কাতার এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও দেশটির সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে।
ইরান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশও ওই হামলার নিন্দা জানায়। হামলার পর কাতারের প্রতি সংহতি জানাতে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা দোহা সফর করেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও দোহায় ইসরায়েলি হামলাকে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন।
কাতারে ইসরায়েলি হামলার প্রথম বার্ষিকী সামনে রেখে কয়েক দিন আগে সাক্ষাৎকারটির ভিডিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু।
সূত্র: আলজাজিরা
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন