English / বাংলা
Editorial News 24

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভারতের হাইকমিশনার।

জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রত্যাশা ভারতের হাইকমিশনারের


প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রত্যাশা ভারতের হাইকমিশনারের

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভারতের হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সব পর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সাক্ষাতে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এ সময় লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান তিনি।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে আরও কার্যকরভাবে প্রতিফলিত করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, এটিই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতারও প্রশংসা করেন তিনি।

এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আবারও গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছে।

স্পিকার বলেন, আগে দুই দেশের সম্পর্ক মূলত সরকারকেন্দ্রিক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রেখে ‘জনগণকেন্দ্রিক’ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।স্পিকারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রত্যাশা ভারতের হাইকমিশনারের

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ভারতের হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সব পর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সাক্ষাতে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এ সময় লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান তিনি।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে আরও কার্যকরভাবে প্রতিফলিত করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, এটিই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতারও প্রশংসা করেন তিনি।

এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে আবারও গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছে।

স্পিকার বলেন, আগে দুই দেশের সম্পর্ক মূলত সরকারকেন্দ্রিক ছিল। এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রেখে ‘জনগণকেন্দ্রিক’ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।স্পিকারের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0