চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শিশু জুলিয়া আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমীর হোসেনকে ২১ বছর পর খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে দ্রুত কনডেমড সেল থেকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে, ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শিশু জুলিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আমীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৬ মে হাটহাজারী উপজেলার মেখল গ্রামে ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু জুলিয়া আক্তার। ওই বাড়িতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন আসামি আমীর হোসেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আমীর হোসেন জুলিয়াকে অপহরণ করে বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়। পরে খালের পাড় থেকে জুলিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় জুলিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আমীর হোসেনকে আসামি করে হাটহাজারী থানায় মামলা করা হয়।
২০০৮ সালের ২৫ আগস্ট তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ। পরের বছর ৮ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আমীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর মঙ্গলবার সেই আপিলের রায়ে তাকে খালাস দেওয়া হলো।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শিশু জুলিয়া আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমীর হোসেনকে ২১ বছর পর খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে দ্রুত কনডেমড সেল থেকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে, ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শিশু জুলিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আমীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৬ মে হাটহাজারী উপজেলার মেখল গ্রামে ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু জুলিয়া আক্তার। ওই বাড়িতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন আসামি আমীর হোসেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আমীর হোসেন জুলিয়াকে অপহরণ করে বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়। পরে খালের পাড় থেকে জুলিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় জুলিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আমীর হোসেনকে আসামি করে হাটহাজারী থানায় মামলা করা হয়।
২০০৮ সালের ২৫ আগস্ট তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ। পরের বছর ৮ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আমীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর মঙ্গলবার সেই আপিলের রায়ে তাকে খালাস দেওয়া হলো।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন