English / বাংলা
Editorial News 24

গাজায় ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেছে আরও পাঁচজনের। অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পারস্য উপসাগরে শত শত জাহাজ আটকে পড়ায় হাজারো নাবিক ঘরবন্দি হয়ে আছেন।

গাজায় আবারও মৃত্যু, ইরানে নিষেধাজ্ঞার ক্ষত—মধ্যপ্রাচ্যে থামছে না অস্থিরতা


প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

গাজায় আবারও মৃত্যু, ইরানে নিষেধাজ্ঞার ক্ষত—মধ্যপ্রাচ্যে থামছে না অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনার আবহ যেন কাটছেই না। গাজায় ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেছে আরও পাঁচজনের। অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পারস্য উপসাগরে শত শত জাহাজ আটকে পড়ায় হাজারো নাবিক ঘরবন্দি হয়ে আছেন। এর পাশাপাশি ইরান-রাশিয়ার সম্ভাব্য জ্বালানি সহযোগিতা এবং তেহরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫

শুক্রবার গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।নাসের হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, খান ইউনিসের বাইরে একটি বাড়িতে হামলায় একই পরিবারের দুই ভাই ও তাদের এক স্বজন নিহত হয়েছেন। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, খান ইউনিসে এমন কোনো হামলার বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই।

এদিকে গাজা সিটির দুটি পৃথক এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন বলে শিফা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী শহরটির দুটি এলাকায় হামলার কথা নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ থামাতে গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে বড় ধরনের সংঘাত কিছুটা কমলেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা পুরোপুরি থামেনি। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাবে, যুদ্ধবিরতির পরও এসব হামলায় অন্তত ১ হাজার ৩০৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

পারস্য উপসাগরে আটকে হাজারো নাবিক

ইরান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরে আটকে পড়েছেন হাজার হাজার নাবিক। জাতিসংঘের সামুদ্রিক সংস্থা জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ১৯ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। একই সময়ে শত শত জাহাজে প্রায় ৬ হাজার নাবিক আটকে আছেন।আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে অন্তত ৭০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আইএমওর মহাসচিব আরসেনিও ডমিঙ্গেজ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিকভাবে পরিবাহিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করত।

 ইরান-রাশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতার উদ্যোগ

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পুরোনো একটি পরিকল্পনা আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা করছে ইরান ও রাশিয়া। শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশের জ্বালানি গ্রিডের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটির গবেষক উমুদ শোকরি জানান, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আজারবাইজানের মধ্য দিয়ে বছরে ৫৫ বিলিয়ন ঘনমিটার রুশ গ্যাস ইরানে সরবরাহ করা হতে পারে।

তার মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মৌসুমি গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে ইরান কিছুটা সুবিধা পেতে পারে। তবে অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল ব্যয় ও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় এর বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে মিশরের ব্যাংকে মার্কিন চাপ

ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক ব্যাংক মিসরের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যাংকটির শাখাগুলোকে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ব্যাংকটি ইরানের নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলল ইরান

নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।ইরানের দাবি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে অন্য দেশগুলোকেও এসব নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন না করার আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, মার্কিন ডলারকে ব্যবহার করে অন্য দেশগুলোকে নিজেদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন।এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধেও পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা আরোপের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

 ফিলিস্তিনে ইউএনআরডব্লিউএকে সহায়তা বন্ধ করছে ফিনল্যান্ড

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএকে দেওয়া মানবিক সহায়তার চুক্তি আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইউএনআরডব্লিউএর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করে আসছে।

বহুবর্ষী চুক্তির আওতায় ফিনল্যান্ড প্রতিবছর ইউএনআরডব্লিউএকে ৫০ লাখ ইউরো সহায়তা দিত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিলে তাভিও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিসহ (ডব্লিউএফপি) অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করা হবে।

গাজা যুদ্ধবিরতি কেন্দ্র থেকে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সরানো নিয়ে সতর্ক করল যুক্তরাজ্য

গাজা যুদ্ধবিরতি সমন্বয় কেন্দ্র থেকে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য।শুক্রবার ব্রিটিশ সরকার জানায়, তাদের কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিলে গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যৌথ প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হবে। এর আগে ইসরায়েল ব্রিটিশসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে—এমন খবর প্রকাশিত হয়।

ইসরায়েল ইতোমধ্যে ওই কেন্দ্র থেকে দুই ডাচ কূটনীতিককে সরিয়ে দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করাসহ বিভিন্ন ‘ইসরায়েলবিরোধী পদক্ষেপের’ জবাব হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গাজায় আবারও মৃত্যু, ইরানে নিষেধাজ্ঞার ক্ষত—মধ্যপ্রাচ্যে থামছে না অস্থিরতা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনার আবহ যেন কাটছেই না। গাজায় ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেছে আরও পাঁচজনের। অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পারস্য উপসাগরে শত শত জাহাজ আটকে পড়ায় হাজারো নাবিক ঘরবন্দি হয়ে আছেন। এর পাশাপাশি ইরান-রাশিয়ার সম্ভাব্য জ্বালানি সহযোগিতা এবং তেহরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৫

শুক্রবার গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।নাসের হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, খান ইউনিসের বাইরে একটি বাড়িতে হামলায় একই পরিবারের দুই ভাই ও তাদের এক স্বজন নিহত হয়েছেন। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, খান ইউনিসে এমন কোনো হামলার বিষয়ে তাদের কাছে তথ্য নেই।

এদিকে গাজা সিটির দুটি পৃথক এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন বলে শিফা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী শহরটির দুটি এলাকায় হামলার কথা নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ থামাতে গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে বড় ধরনের সংঘাত কিছুটা কমলেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা পুরোপুরি থামেনি। গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাবে, যুদ্ধবিরতির পরও এসব হামলায় অন্তত ১ হাজার ৩০৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

পারস্য উপসাগরে আটকে হাজারো নাবিক

ইরান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরে আটকে পড়েছেন হাজার হাজার নাবিক। জাতিসংঘের সামুদ্রিক সংস্থা জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ১৯ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। একই সময়ে শত শত জাহাজে প্রায় ৬ হাজার নাবিক আটকে আছেন।আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) তথ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে অন্তত ৭০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আইএমওর মহাসচিব আরসেনিও ডমিঙ্গেজ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিকভাবে পরিবাহিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করত।

 ইরান-রাশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতার উদ্যোগ

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পুরোনো একটি পরিকল্পনা আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা করছে ইরান ও রাশিয়া। শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশের জ্বালানি গ্রিডের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।জর্জ মেসন ইউনিভার্সিটির গবেষক উমুদ শোকরি জানান, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আজারবাইজানের মধ্য দিয়ে বছরে ৫৫ বিলিয়ন ঘনমিটার রুশ গ্যাস ইরানে সরবরাহ করা হতে পারে।

তার মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মৌসুমি গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে ইরান কিছুটা সুবিধা পেতে পারে। তবে অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল ব্যয় ও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় এর বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে মিশরের ব্যাংকে মার্কিন চাপ

ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক ব্যাংক মিসরের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যাংকটির শাখাগুলোকে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ব্যাংকটি ইরানের নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলল ইরান

নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।ইরানের দাবি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। একই সঙ্গে অন্য দেশগুলোকেও এসব নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন না করার আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, মার্কিন ডলারকে ব্যবহার করে অন্য দেশগুলোকে নিজেদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন।এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেন। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধেও পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা আরোপের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

 ফিলিস্তিনে ইউএনআরডব্লিউএকে সহায়তা বন্ধ করছে ফিনল্যান্ড

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএকে দেওয়া মানবিক সহায়তার চুক্তি আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ফিনল্যান্ড।ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইউএনআরডব্লিউএর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করে আসছে।

বহুবর্ষী চুক্তির আওতায় ফিনল্যান্ড প্রতিবছর ইউএনআরডব্লিউএকে ৫০ লাখ ইউরো সহায়তা দিত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিলে তাভিও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিসহ (ডব্লিউএফপি) অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করা হবে।

গাজা যুদ্ধবিরতি কেন্দ্র থেকে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সরানো নিয়ে সতর্ক করল যুক্তরাজ্য

গাজা যুদ্ধবিরতি সমন্বয় কেন্দ্র থেকে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য।শুক্রবার ব্রিটিশ সরকার জানায়, তাদের কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিলে গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যৌথ প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হবে। এর আগে ইসরায়েল ব্রিটিশসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে—এমন খবর প্রকাশিত হয়।

ইসরায়েল ইতোমধ্যে ওই কেন্দ্র থেকে দুই ডাচ কূটনীতিককে সরিয়ে দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করাসহ বিভিন্ন ‘ইসরায়েলবিরোধী পদক্ষেপের’ জবাব হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0