পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরান সফরে যাচ্ছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানিয়েছেন। চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বাঘাইকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের সফরের মূল লক্ষ্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করা। পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকা আরও কার্যকর করাও সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সফরকালে আসিম মুনির ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বাঘাই। এসব বৈঠকে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের সময়ে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। ইসলামাবাদ একই সঙ্গে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে।
এর আগে ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে এবং চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করে। তবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরে আলোচনা স্থবির হয়ে যায়।এরপর ৮ থেকে ২৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামে হামলা চালায়।
এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের তেহরান সফর আঞ্চলিক শান্তি ও চলমান সংঘাত নিরসনে দেশটির কূটনৈতিক ভূমিকার নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরান সফরে যাচ্ছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানিয়েছেন। চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বাঘাইকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের সফরের মূল লক্ষ্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করা। পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকা আরও কার্যকর করাও সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সফরকালে আসিম মুনির ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বাঘাই। এসব বৈঠকে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের সময়ে পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। ইসলামাবাদ একই সঙ্গে তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছে।
এর আগে ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে এবং চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করে। তবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরে আলোচনা স্থবির হয়ে যায়।এরপর ৮ থেকে ২৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামে হামলা চালায়।
এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের তেহরান সফর আঞ্চলিক শান্তি ও চলমান সংঘাত নিরসনে দেশটির কূটনৈতিক ভূমিকার নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন