English / বাংলা
Editorial News 24

ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গোপনে বিমান বদল ট্রাম্পের: ক্ষোভে ফুঁসছেন সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা


প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

গোপনে বিমান বদল ট্রাম্পের: ক্ষোভে ফুঁসছেন সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা

আঙ্কারা সফর শেষে দেশে ফেরার পথে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গোপনে বিমান বদলের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা। চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা গোপন রেখে সাংবাদিক, নিরাপত্তাকর্মী ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রেখে ট্রাম্প নিজের নিরাপত্তার জন্য বিকল্প বিমান ব্যবহার করায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের সময় কাতারের রাজপরিবারের দেওয়া একটি নতুন বিলাসবহুল বিমানে আঙ্কারায় পৌঁছান তিনি। তবে দেশে ফেরার সময় হঠাৎ জানানো হয়, বিশেষ সামরিক কারণে ট্রাম্প পুরোনো বিমানটিতে ভ্রমণ করবেন। পরে জানা যায়, কাতার সরকারের দেওয়া নতুন বিমানটিতে প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাম্পের জন্য বিকল্প বিমান প্রস্তুত করা হয়েছিল।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই সফরের মূল চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আঙ্কারা ছাড়ার ঠিক আগে ট্রাম্প পুরোনো বিমানটিতে উঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাসি-ঠাট্টা করেন। কিন্তু সবার অলক্ষে বিমানের পেছনের একটি বিশেষ গোপন দরজা দিয়ে নেমে যান তিনি। এরপর একটি খাবার সরবরাহকারী গাড়িতে লুকিয়ে রানওয়েতে থাকা অন্য একটি ছোট সামরিক বিমানে উঠে দ্রুত আঙ্কারা ত্যাগ করেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী সাংবাদিক ও কর্মীরা ধারণা করেছিলেন তারা ট্রাম্পের সঙ্গেই মূল বিমানে সফর করছেন। উড্ডয়নের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশ অনুযায়ী জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়, যা সাধারণ যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া দেখা যায় না। সে সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে রসিকতা করে বলেছিলেন যে তারা হয়তো একটি বিপজ্জনক ফ্লাইটে আছেন। অথচ এর পরপরই তাঁদের কিছু না জানিয়ে তিনি নিরাপদে অন্য বিমানে কেটে পড়েন।

বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর হোয়াইট হাউসের প্রেস কোরের সাংবাদিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ক্ষুব্ধ সাংবাদিকদের অভিযোগ, সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের না জানিয়ে একপ্রকার ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঝুঁকি নেওয়া স্বাভাবিক হলেও প্রেসিডেন্টের সুরক্ষার স্বার্থে সাংবাদিকদের জীবনকে এভাবে বিপন্ন করা চরম প্রতারণামূলক। এই ঘটনা ট্রাম্পের নিরাপত্তা অজুহাতে করা হলেও সাংবাদিকদের কেন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ফেলে রাখা হলো, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।

বিষয় : আমেরিকা ট্রাম্প সাংবাদিক আমেরিকা

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গোপনে বিমান বদল ট্রাম্পের: ক্ষোভে ফুঁসছেন সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আঙ্কারা সফর শেষে দেশে ফেরার পথে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গোপনে বিমান বদলের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা। চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা গোপন রেখে সাংবাদিক, নিরাপত্তাকর্মী ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রেখে ট্রাম্প নিজের নিরাপত্তার জন্য বিকল্প বিমান ব্যবহার করায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের সময় কাতারের রাজপরিবারের দেওয়া একটি নতুন বিলাসবহুল বিমানে আঙ্কারায় পৌঁছান তিনি। তবে দেশে ফেরার সময় হঠাৎ জানানো হয়, বিশেষ সামরিক কারণে ট্রাম্প পুরোনো বিমানটিতে ভ্রমণ করবেন। পরে জানা যায়, কাতার সরকারের দেওয়া নতুন বিমানটিতে প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাম্পের জন্য বিকল্প বিমান প্রস্তুত করা হয়েছিল।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই সফরের মূল চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আঙ্কারা ছাড়ার ঠিক আগে ট্রাম্প পুরোনো বিমানটিতে উঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাসি-ঠাট্টা করেন। কিন্তু সবার অলক্ষে বিমানের পেছনের একটি বিশেষ গোপন দরজা দিয়ে নেমে যান তিনি। এরপর একটি খাবার সরবরাহকারী গাড়িতে লুকিয়ে রানওয়েতে থাকা অন্য একটি ছোট সামরিক বিমানে উঠে দ্রুত আঙ্কারা ত্যাগ করেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী সাংবাদিক ও কর্মীরা ধারণা করেছিলেন তারা ট্রাম্পের সঙ্গেই মূল বিমানে সফর করছেন। উড্ডয়নের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর নির্দেশ অনুযায়ী জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়, যা সাধারণ যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া দেখা যায় না। সে সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে রসিকতা করে বলেছিলেন যে তারা হয়তো একটি বিপজ্জনক ফ্লাইটে আছেন। অথচ এর পরপরই তাঁদের কিছু না জানিয়ে তিনি নিরাপদে অন্য বিমানে কেটে পড়েন।

বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর হোয়াইট হাউসের প্রেস কোরের সাংবাদিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ক্ষুব্ধ সাংবাদিকদের অভিযোগ, সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের না জানিয়ে একপ্রকার ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঝুঁকি নেওয়া স্বাভাবিক হলেও প্রেসিডেন্টের সুরক্ষার স্বার্থে সাংবাদিকদের জীবনকে এভাবে বিপন্ন করা চরম প্রতারণামূলক। এই ঘটনা ট্রাম্পের নিরাপত্তা অজুহাতে করা হলেও সাংবাদিকদের কেন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ফেলে রাখা হলো, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0