২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সারা দেশের সকল বোর্ডের সমন্বয়ে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সবকটি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। গত ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। সেই পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে কমেছে।
সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল। দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অপরদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয় ২৪ মে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সার্বিক মূল্যায়ন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
ফল ঘোষণার পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন। এছাড়া যেকোনো মোবাইল থেকে নির্দিষ্ট কোড টাইপ করে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানার সুবিধা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা চাইলে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সরাসরি তাদের পূর্ণাঙ্গ নম্বরপত্র ও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সারা দেশের সকল বোর্ডের সমন্বয়ে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সবকটি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার পূর্ণাঙ্গ জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। গত ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। সেই পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে কমেছে।
সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২১ এপ্রিল। দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অপরদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয় ২৪ মে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সার্বিক মূল্যায়ন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শিক্ষা বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
ফল ঘোষণার পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন। এছাড়া যেকোনো মোবাইল থেকে নির্দিষ্ট কোড টাইপ করে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানার সুবিধা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা চাইলে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সরাসরি তাদের পূর্ণাঙ্গ নম্বরপত্র ও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন