English / বাংলা
Editorial News 24

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি পুলিশের হেফাজতে তৃণমূলের এক কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।

মমতার গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ, উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ


প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

মমতার গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ, উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। রোববার দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। এ সময় বিক্ষোভকারীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর, জুতা ও পানির বোতল ছুড়ে মারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার কনভয় ঘিরে ধরে ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি পুলিশের হেফাজতে তৃণমূলের এক কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই খবর পাওয়ার পর নিহত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে হালিশহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি হালিশহর এলাকায় পৌঁছালে একদল বিক্ষোভকারী তার গাড়ির গতিপথ রোধ করে এবং চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দ্রুত এগিয়ে এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ঘটনার সময় গাড়ির কাচ বন্ধ ছিল বলেই তিনি বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। কাচ খোলা থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত এবং প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং সেখানে পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

হামলার ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মমতার সফরসঙ্গী ও তৃণমূলের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই পুলিশ পুরো বিষয়টি পরিচালনা করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছে।

তবে তৃণমূলের তোলা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের হামলার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক স্বার্থে বিজেপির ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি দাবি জানান তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিষয় : ভারত হামলা মমতা হামলা ভারত

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


মমতার গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ, উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। রোববার দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। এ সময় বিক্ষোভকারীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর, জুতা ও পানির বোতল ছুড়ে মারে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার কনভয় ঘিরে ধরে ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি পুলিশের হেফাজতে তৃণমূলের এক কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই খবর পাওয়ার পর নিহত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে হালিশহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি হালিশহর এলাকায় পৌঁছালে একদল বিক্ষোভকারী তার গাড়ির গতিপথ রোধ করে এবং চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দ্রুত এগিয়ে এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ঘটনার সময় গাড়ির কাচ বন্ধ ছিল বলেই তিনি বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। কাচ খোলা থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত এবং প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার ওপর হামলা চালিয়েছে এবং সেখানে পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

হামলার ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মমতার সফরসঙ্গী ও তৃণমূলের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই পুলিশ পুরো বিষয়টি পরিচালনা করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছে।

তবে তৃণমূলের তোলা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের হামলার সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। রাজনৈতিক স্বার্থে বিজেপির ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি দাবি জানান তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0