দেশের এয়ারলাইন্স খাতের জন্য উদ্বেগের খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল বা জেট ফুয়েলের দাম নতুন করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি আগস্ট মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্যের ঘোষণা দেয় বিইআরসি। বিইআরসির দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই নতুন এই মূল্য কার্যকর হচ্ছে। কেবল অভ্যন্তরীণ রুটেই নয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ হারে দাম বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম শূন্য দশমিক ৮৫৫৬ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.০৩৫৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, জেট ফুয়েলের দাম হঠাৎ এভাবে বৃদ্ধির ফলে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর পরিচালনা ব্যয় অনেকাংশে বেড়ে যাবে। একটি এয়ারলাইন্সের মোট পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই খরচ হয় জ্বালানি খাতে। ফলে নতুন করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত টিকিটের মূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক দুই রুটের ফ্লাইটেই ভাড়া বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে জুলাই মাসের জন্য জেট ফুয়েলের দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। সে সময় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে লিটারপ্রতি দাম ১৫০ টাকা ২১ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা করা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ফুয়েল প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৯৮০৮ ডলার থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৮৫৫৬ ডলার করা হয়েছিল। মে ও জুন মাসেও জ্বালানির দাম ধাপে ধাপে কমানো হয়েছিল। মে মাসে প্রতি লিটার ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা এবং জুনে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে চলতি বছরের মার্চ মাসে একলাফে অভ্যন্তরীণ রুটে ৮০ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে প্রায় ৭৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল এই জ্বালানির দাম। এরপর এপ্রিলেও ফের বাড়ানো হয় ফুয়েলের দাম। বারবার জেট ফুয়েলের মূল্যে এমন বড় ধরনের ওঠানামার কারণে এভিয়েশন শিল্প পরিচালনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
দেশের এয়ারলাইন্স খাতের জন্য উদ্বেগের খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল বা জেট ফুয়েলের দাম নতুন করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি আগস্ট মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই মূল্যের ঘোষণা দেয় বিইআরসি। বিইআরসির দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই নতুন এই মূল্য কার্যকর হচ্ছে। কেবল অভ্যন্তরীণ রুটেই নয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ হারে দাম বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম শূন্য দশমিক ৮৫৫৬ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.০৩৫৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, জেট ফুয়েলের দাম হঠাৎ এভাবে বৃদ্ধির ফলে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর পরিচালনা ব্যয় অনেকাংশে বেড়ে যাবে। একটি এয়ারলাইন্সের মোট পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই খরচ হয় জ্বালানি খাতে। ফলে নতুন করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত টিকিটের মূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক দুই রুটের ফ্লাইটেই ভাড়া বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে জুলাই মাসের জন্য জেট ফুয়েলের দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। সে সময় অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে লিটারপ্রতি দাম ১৫০ টাকা ২১ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা করা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ফুয়েল প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৯৮০৮ ডলার থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৮৫৫৬ ডলার করা হয়েছিল। মে ও জুন মাসেও জ্বালানির দাম ধাপে ধাপে কমানো হয়েছিল। মে মাসে প্রতি লিটার ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা এবং জুনে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে চলতি বছরের মার্চ মাসে একলাফে অভ্যন্তরীণ রুটে ৮০ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে প্রায় ৭৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল এই জ্বালানির দাম। এরপর এপ্রিলেও ফের বাড়ানো হয় ফুয়েলের দাম। বারবার জেট ফুয়েলের মূল্যে এমন বড় ধরনের ওঠানামার কারণে এভিয়েশন শিল্প পরিচালনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন