রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। অলি আহমদ জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান।
রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকায় রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।
কর্নেল (অব.) অলি আহমদ একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৯১ সালে গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০০৬ সালে দলটি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তারা কোনো প্রার্থী দেবে না। সে সময় দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, প্রার্থী দেওয়া হলেও জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বিএনপির সমর্থন ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ কার্যত নেই।
এদিকে, গত ২৪ জুলাই মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় বছর আগেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। অলি আহমদ জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান।
রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকায় রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্টের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।
কর্নেল (অব.) অলি আহমদ একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৯১ সালে গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০০৬ সালে দলটি থেকে বেরিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তারা কোনো প্রার্থী দেবে না। সে সময় দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, প্রার্থী দেওয়া হলেও জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বিএনপির সমর্থন ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ কার্যত নেই।
এদিকে, গত ২৪ জুলাই মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় বছর আগেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন