English / বাংলা
Editorial News 24

চলতি বছরই ১০০টি গাড়ি বাংলাদেশে পাঠাবে পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’।

পাকিস্তান থেকে গাড়ি আমদানি করছে বাংলাদেশ, সমঝোতা স্মারক সই


প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

পাকিস্তান থেকে গাড়ি আমদানি করছে বাংলাদেশ, সমঝোতা স্মারক সই

পাকিস্তান থেকে স্থানীয়ভাবে সংযোজিত যাত্রীবাহী গাড়ি আমদানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি বছরই ১০০টি গাড়ি বাংলাদেশে পাঠাবে পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘র‌্যানকন গ্রুপ’-এর সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী চার বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ৫ হাজার ৮০০টি গাড়ি রপ্তানির একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক বিশেষ সহকারী হারুন আখতার খান উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছর পাকিস্তানে সংযোজিত ১০০টি গাড়ি বাংলাদেশে রপ্তানি করা হবে, যা পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী আরও বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হারুন আখতার খান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এই বাণিজ্যিক চুক্তি পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাকিস্তান লাখ লাখ ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে এটি পাকিস্তান সরকারের রপ্তানিনির্ভর শিল্পপ্রবৃদ্ধির যে পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও জানান, দেশের অটোমোবাইল খাতকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে, গাড়ি রপ্তানি বাড়াতে এবং স্থানীয় যন্ত্রাংশের ব্যবহার বৃদ্ধিতে পাকিস্তান সরকার একটি সমন্বিত অটোমোবাইল নীতি চূড়ান্ত করার কাজ করছে।

র‌্যানকন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রশিদ ভূঁইয়া এই চুক্তিকে বাংলাদেশের স্থানীয় অটোমোবাইল খাতের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ গাড়ির বাজারে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। এর মাধ্যমে দেশের গ্রাহকরা আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি ব্যবহার ও পছন্দের বাড়তি সুযোগ পাবেন। পাকিস্তানের গাড়ি উৎপাদন শিল্প বর্তমানে বিশ্বমানের সক্ষমতা অর্জন করেছে এবং এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বাণিজ্য গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি সম্প্রসারণে এই চুক্তি একটি নতুন মাইলফলক। বাংলাদেশের বাজার বিদেশি মানসম্পন্ন যানবাহনের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এ ধরনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতে দুটি দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বিষয় : গাড়ি আমদানি অর্থনীতি

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


পাকিস্তান থেকে গাড়ি আমদানি করছে বাংলাদেশ, সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাকিস্তান থেকে স্থানীয়ভাবে সংযোজিত যাত্রীবাহী গাড়ি আমদানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি বছরই ১০০টি গাড়ি বাংলাদেশে পাঠাবে পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘র‌্যানকন গ্রুপ’-এর সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী চার বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ৫ হাজার ৮০০টি গাড়ি রপ্তানির একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক বিশেষ সহকারী হারুন আখতার খান উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছর পাকিস্তানে সংযোজিত ১০০টি গাড়ি বাংলাদেশে রপ্তানি করা হবে, যা পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী আরও বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হারুন আখতার খান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এই বাণিজ্যিক চুক্তি পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাকিস্তান লাখ লাখ ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে এটি পাকিস্তান সরকারের রপ্তানিনির্ভর শিল্পপ্রবৃদ্ধির যে পরিকল্পনা রয়েছে, তা বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও জানান, দেশের অটোমোবাইল খাতকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে, গাড়ি রপ্তানি বাড়াতে এবং স্থানীয় যন্ত্রাংশের ব্যবহার বৃদ্ধিতে পাকিস্তান সরকার একটি সমন্বিত অটোমোবাইল নীতি চূড়ান্ত করার কাজ করছে।

র‌্যানকন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রশিদ ভূঁইয়া এই চুক্তিকে বাংলাদেশের স্থানীয় অটোমোবাইল খাতের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ গাড়ির বাজারে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। এর মাধ্যমে দেশের গ্রাহকরা আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি ব্যবহার ও পছন্দের বাড়তি সুযোগ পাবেন। পাকিস্তানের গাড়ি উৎপাদন শিল্প বর্তমানে বিশ্বমানের সক্ষমতা অর্জন করেছে এবং এই খাত থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক বাণিজ্য গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি সম্প্রসারণে এই চুক্তি একটি নতুন মাইলফলক। বাংলাদেশের বাজার বিদেশি মানসম্পন্ন যানবাহনের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এ ধরনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতে দুটি দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0