২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শুধু আর্জেন্টিনা ও স্পেনের শিরোপার লড়াই নয়; এটি দুই সফল কোচ লিওনেল স্কালোনি ও লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলগত দ্বৈরথও। একই ভাষাভাষী দুই দেশের এই মহারণকে অনেকেই বলছেন ‘অল-স্প্যানিশ ফাইনাল’। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দুই কোচের অনুপ্রেরণাদায়ী পথচলাও রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
২০১৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ব্যর্থতার পর লিওনেল স্কালোনিকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। ক্লাব পর্যায়েও তার বড় কোনো কোচিং অভিজ্ঞতা ছিল না। ফলে জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল অনেকের।
তবে সময়ের সঙ্গে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন স্কালোনি। তার অধীনে আর্জেন্টিনা জিতেছে ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা। এবার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ফাইনালে উঠেছে তার দল।
অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের পথচলাও ছিল চ্যালেঞ্জে ভরা। ক্লাব পর্যায়ে বরখাস্ত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় বয়সভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২১ ও অলিম্পিক দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার পর ২০২২ সালে স্পেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন।তার অধীনে স্পেন আবারও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি ও নিকো উইলিয়ামসদের মতো তরুণ প্রতিভাকে সামনে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলিয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো দলটিকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন দে লা ফুয়েন্তে।
এই ফাইনালের বিশেষত্ব আরও বাড়িয়েছে দুই কোচের ব্যক্তিগত সম্পর্ক। তাদের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। কোচিং ক্যারিয়ারের শুরুতে দে লা ফুয়েন্তের কাছ থেকে পরামর্শ ও সহযোগিতা পেয়েছিলেন স্কালোনি। সেমিফাইনালের আগেও একে অপরের প্রশংসা করেছেন দুই কোচ।
এবার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছেন সেই দুই বন্ধু ও সফল কৌশলবিদ। শেষ হাসি হাসবেন একজনই। তাই আর্জেন্টিনা-স্পেনের এই ফাইনাল শুধু দুই দলের শিরোপার লড়াই নয়, দুই অনুপ্রেরণাদায়ী কোচের কৌশল ও সাফল্যেরও ঐতিহাসিক পরীক্ষা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল শুধু আর্জেন্টিনা ও স্পেনের শিরোপার লড়াই নয়; এটি দুই সফল কোচ লিওনেল স্কালোনি ও লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলগত দ্বৈরথও। একই ভাষাভাষী দুই দেশের এই মহারণকে অনেকেই বলছেন ‘অল-স্প্যানিশ ফাইনাল’। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দুই কোচের অনুপ্রেরণাদায়ী পথচলাও রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
২০১৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ব্যর্থতার পর লিওনেল স্কালোনিকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। ক্লাব পর্যায়েও তার বড় কোনো কোচিং অভিজ্ঞতা ছিল না। ফলে জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল অনেকের।
তবে সময়ের সঙ্গে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন স্কালোনি। তার অধীনে আর্জেন্টিনা জিতেছে ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা। এবার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ফাইনালে উঠেছে তার দল।
অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের পথচলাও ছিল চ্যালেঞ্জে ভরা। ক্লাব পর্যায়ে বরখাস্ত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় বয়সভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২১ ও অলিম্পিক দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার পর ২০২২ সালে স্পেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন।তার অধীনে স্পেন আবারও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি ও নিকো উইলিয়ামসদের মতো তরুণ প্রতিভাকে সামনে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলিয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো দলটিকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন দে লা ফুয়েন্তে।
এই ফাইনালের বিশেষত্ব আরও বাড়িয়েছে দুই কোচের ব্যক্তিগত সম্পর্ক। তাদের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। কোচিং ক্যারিয়ারের শুরুতে দে লা ফুয়েন্তের কাছ থেকে পরামর্শ ও সহযোগিতা পেয়েছিলেন স্কালোনি। সেমিফাইনালের আগেও একে অপরের প্রশংসা করেছেন দুই কোচ।
এবার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছেন সেই দুই বন্ধু ও সফল কৌশলবিদ। শেষ হাসি হাসবেন একজনই। তাই আর্জেন্টিনা-স্পেনের এই ফাইনাল শুধু দুই দলের শিরোপার লড়াই নয়, দুই অনুপ্রেরণাদায়ী কোচের কৌশল ও সাফল্যেরও ঐতিহাসিক পরীক্ষা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন