English / বাংলা
Editorial News 24

গত সপ্তাহে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে

হরমুজে আর জাহাজে হামলা করবে না— ইরানের কাছে নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র


প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

হরমুজে আর জাহাজে হামলা করবে না— ইরানের কাছে নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন চায়, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিক যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতে তারা কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাবে না।

গত সপ্তাহে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে।মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরান অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যে জাহাজে হামলার ঘটনাটি ছিল একটি ভুল এবং এর পেছনে কোনো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওই হামলার ফলে আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে। তবে সংকট নিরসনে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে।অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্রই।

পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিরা ওমানে পৌঁছেছেন। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ওমানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য সেখানে অবস্থান করছেন।কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ওমান ও কাতারের মতো আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানকে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই শর্ত মানা না হলে ইরানকে এর পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। এই জলপথের ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের অবস্থান ভিন্ন। ইরান বলছে, তাদের জলসীমা ব্যবহারকারী জাহাজকে টোল দিতে হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজকে আন্তর্জাতিক ও অবাধ নৌপথ হিসেবে বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো চেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


হরমুজে আর জাহাজে হামলা করবে না— ইরানের কাছে নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন চায়, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিক যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতে তারা কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাবে না।

গত সপ্তাহে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে।মার্কিন প্রশাসনের দাবি, ইরান অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যে জাহাজে হামলার ঘটনাটি ছিল একটি ভুল এবং এর পেছনে কোনো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওই হামলার ফলে আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে। তবে সংকট নিরসনে আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে।অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্রই।

পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ উচ্চপর্যায়ের মার্কিন প্রতিনিধিরা ওমানে পৌঁছেছেন। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ওমানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য সেখানে অবস্থান করছেন।কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ওমান ও কাতারের মতো আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানকে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানকে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই শর্ত মানা না হলে ইরানকে এর পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। এই জলপথের ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের অবস্থান ভিন্ন। ইরান বলছে, তাদের জলসীমা ব্যবহারকারী জাহাজকে টোল দিতে হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজকে আন্তর্জাতিক ও অবাধ নৌপথ হিসেবে বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো চেষ্টা হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

সূত্র: বিবিসি



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0