English / বাংলা
Editorial News 24

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, উদ্ধার হওয়া তিমিটি গর্ভবতী ছিল

তিমির পেটে মিলল ২৩ কেজি প্লাস্টিক, পরিবেশ দূষণে নতুন সতর্কবার্তা


প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

তিমির পেটে মিলল ২৩ কেজি প্লাস্টিক, পরিবেশ দূষণে নতুন সতর্কবার্তা

সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া একটি গর্ভবতী তিমির পাকস্থলী থেকে প্রায় ২৩ কেজি (৫০ পাউন্ড) প্লাস্টিক বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, এটি শুধু একটি তিমির মৃত্যুর ঘটনা নয়; বরং বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ পরিণতির একটি প্রতীক।

জানা গেছে, সাগরে ভাসমান প্লাস্টিকের ব্যাগ, মাছ ধরার জাল এবং অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্য তিমিসহ অনেক সামুদ্রিক প্রাণী খাবার ভেবে গিলে ফেলে। এসব প্লাস্টিক হজম না হয়ে পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্রে জমে থাকে। ফলে খাদ্য গ্রহণ ব্যাহত হয়, পুষ্টির অভাব দেখা দেয় এবং দীর্ঘ সময় তীব্র যন্ত্রণায় ভোগার পর প্রাণীগুলো মারা যায়।সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, উদ্ধার হওয়া তিমিটি গর্ভবতী ছিল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মায়ের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেনের অভাবে তার গর্ভের অনাগত শাবকটিও মারা যায়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মিনিটে প্রায় একটি ময়লার ট্রাকের সমপরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সাগরে গিয়ে পড়ে। বছরে এর পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছায়। বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা, কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ২০৪০ সালের মধ্যে সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণের পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেড়ে যেতে পারে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় তিমির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু মানুষের অসচেতনভাবে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য এই বিশাল প্রাণীগুলোর অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। তারা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সমুদ্র দূষণ রোধে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


তিমির পেটে মিলল ২৩ কেজি প্লাস্টিক, পরিবেশ দূষণে নতুন সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া একটি গর্ভবতী তিমির পাকস্থলী থেকে প্রায় ২৩ কেজি (৫০ পাউন্ড) প্লাস্টিক বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, এটি শুধু একটি তিমির মৃত্যুর ঘটনা নয়; বরং বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহ পরিণতির একটি প্রতীক।

জানা গেছে, সাগরে ভাসমান প্লাস্টিকের ব্যাগ, মাছ ধরার জাল এবং অন্যান্য প্লাস্টিক বর্জ্য তিমিসহ অনেক সামুদ্রিক প্রাণী খাবার ভেবে গিলে ফেলে। এসব প্লাস্টিক হজম না হয়ে পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্রে জমে থাকে। ফলে খাদ্য গ্রহণ ব্যাহত হয়, পুষ্টির অভাব দেখা দেয় এবং দীর্ঘ সময় তীব্র যন্ত্রণায় ভোগার পর প্রাণীগুলো মারা যায়।সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, উদ্ধার হওয়া তিমিটি গর্ভবতী ছিল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মায়ের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেনের অভাবে তার গর্ভের অনাগত শাবকটিও মারা যায়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মিনিটে প্রায় একটি ময়লার ট্রাকের সমপরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সাগরে গিয়ে পড়ে। বছরে এর পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছায়। বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা, কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ২০৪০ সালের মধ্যে সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণের পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেড়ে যেতে পারে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় তিমির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু মানুষের অসচেতনভাবে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য এই বিশাল প্রাণীগুলোর অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে। তারা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সমুদ্র দূষণ রোধে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0