ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা আশা করছেন, কয়েক কোটি মানুষ এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ঐক্য ও রাজনৈতিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ফেব্রুয়ারিতে নিহত হওয়ার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির দাফন বিলম্বিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে তাঁর রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের আয়োজন শুরু হয়েছে।
শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা তেহরান থেকে শুরু হয়ে পবিত্র নগরী কোম এবং ইরাকের শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র কারবালা ও নাজাফ হয়ে শেষ পর্যন্ত মাশহাদে দাফনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে ইরানের বিভিন্ন শহরে কড়া নিরাপত্তা, বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ইরান সরকার জানিয়েছে, বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মিত্র দেশের প্রতিনিধিদেরও শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুধু একজন নেতাকে বিদায় জানানোর আয়োজন নয়; বরং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ সংহতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থানের বার্তা দেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যকে কেন্দ্র করে রাজধানী তেহরানে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা আশা করছেন, কয়েক কোটি মানুষ এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ঐক্য ও রাজনৈতিক শক্তির প্রদর্শন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গত ফেব্রুয়ারিতে নিহত হওয়ার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির দাফন বিলম্বিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অবশেষে তাঁর রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের আয়োজন শুরু হয়েছে।
শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা তেহরান থেকে শুরু হয়ে পবিত্র নগরী কোম এবং ইরাকের শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র কারবালা ও নাজাফ হয়ে শেষ পর্যন্ত মাশহাদে দাফনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে ইরানের বিভিন্ন শহরে কড়া নিরাপত্তা, বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ইরান সরকার জানিয়েছে, বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মিত্র দেশের প্রতিনিধিদেরও শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুধু একজন নেতাকে বিদায় জানানোর আয়োজন নয়; বরং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ সংহতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থানের বার্তা দেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন