English / বাংলা
Editorial News 24

১৭০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ডিসি স্টুডিওসের ‘সুপারগার্ল’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই আশানুরূপ আয় করতে পারেনি। বিশ্লেষকদের মতে, ছবিটি স্টুডিওর জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘সুপারগার্ল’, বড় লোকসানের শঙ্কায় ওয়ার্নার ব্রাদার্স



বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘সুপারগার্ল’, বড় লোকসানের শঙ্কায় ওয়ার্নার ব্রাদার্স

দারুণ প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে হতাশাজনক সূচনা করেছে হলিউডের বিগ-বাজেট সুপারহিরো চলচ্চিত্র ‘সুপারগার্ল’। ওয়ার্নার ব্রাদার্স ও ডিসি স্টুডিওসের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রায় ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্মাণ ব্যয়ে তৈরি সিনেমাটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহে উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে ৩৭.১ মিলিয়ন ডলার। আর বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬২.৬ মিলিয়ন ডলার, যা স্টুডিওর প্রাথমিক প্রত্যাশার চেয়েও কম।

শুধু নির্মাণ ব্যয়ই নয়, সিনেমাটির বিপণন ও প্রচারণায় আরও প্রায় ১২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে বিনিয়োগের বড় অংশই এখনো ফেরত আসেনি।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, প্রেক্ষাগৃহের অংশ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখতে এ ধরনের বড় বাজেটের সিনেমার অন্তত ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় প্রয়োজন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘সুপারগার্ল’-এর আজীবন বৈশ্বিক আয় ২০০ থেকে ২১০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমনটি হলে ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে ৮০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লোকসান গুনতে হতে পারে।

বক্স অফিস বিশ্লেষক জেফ বক মনে করেন, সুপারগার্ল চরিত্রটি এখনো সাধারণ দর্শকের কাছে বড় ব্লকবাস্টার টানার মতো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন মুক্তির মৌসুমে তীব্র প্রতিযোগিতা এবং দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়াও ছবিটির ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নবাগত মিলি অ্যালকক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এ ছবির জন্য প্রায় ৪ লাখ ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন এবং তার সঙ্গে কোনো ব্যাকএন্ড (লাভের অংশীদারিত্ব) চুক্তি ছিল না। ফলে তারকা পারিশ্রমিক তুলনামূলক কম হলেও ছবির সার্বিক লোকসানের ঝুঁকি কমেনি।

এটি ২০২৬ সালে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের দ্বিতীয় বড় বাণিজ্যিক ব্যর্থতা। এর আগে ‘দ্য ব্রাইড!’ প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের বিপরীতে বিশ্বব্যাপী মাত্র ২৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিল।

অন্যদিকে, গত গ্রীষ্মে মুক্তি পাওয়া জেমস গান পরিচালিত ‘সুপারম্যান’ বিশ্বব্যাপী ৬১৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে ডিসি স্টুডিওসকে বড় সাফল্য এনে দিয়েছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নতুন ডিসি ইউনিভার্সকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হলেও ‘সুপারগার্ল’-এর দুর্বল পারফরম্যান্স সেই পরিকল্পনার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তবে ডিসি স্টুডিওসের প্রধান পিটার স্যাফ্রান বলেছেন, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনারই অংশ এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলো নিয়ে তারা আশাবাদী।

Image

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘সুপারগার্ল’, বড় লোকসানের শঙ্কায় ওয়ার্নার ব্রাদার্স

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image

দারুণ প্রত্যাশা নিয়ে মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে হতাশাজনক সূচনা করেছে হলিউডের বিগ-বাজেট সুপারহিরো চলচ্চিত্র ‘সুপারগার্ল’। ওয়ার্নার ব্রাদার্স ও ডিসি স্টুডিওসের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রায় ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্মাণ ব্যয়ে তৈরি সিনেমাটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহে উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে ৩৭.১ মিলিয়ন ডলার। আর বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬২.৬ মিলিয়ন ডলার, যা স্টুডিওর প্রাথমিক প্রত্যাশার চেয়েও কম।

শুধু নির্মাণ ব্যয়ই নয়, সিনেমাটির বিপণন ও প্রচারণায় আরও প্রায় ১২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে বিনিয়োগের বড় অংশই এখনো ফেরত আসেনি।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, প্রেক্ষাগৃহের অংশ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখতে এ ধরনের বড় বাজেটের সিনেমার অন্তত ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় প্রয়োজন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘সুপারগার্ল’-এর আজীবন বৈশ্বিক আয় ২০০ থেকে ২১০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমনটি হলে ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে ৮০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লোকসান গুনতে হতে পারে।

বক্স অফিস বিশ্লেষক জেফ বক মনে করেন, সুপারগার্ল চরিত্রটি এখনো সাধারণ দর্শকের কাছে বড় ব্লকবাস্টার টানার মতো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন মুক্তির মৌসুমে তীব্র প্রতিযোগিতা এবং দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়াও ছবিটির ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নবাগত মিলি অ্যালকক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এ ছবির জন্য প্রায় ৪ লাখ ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন এবং তার সঙ্গে কোনো ব্যাকএন্ড (লাভের অংশীদারিত্ব) চুক্তি ছিল না। ফলে তারকা পারিশ্রমিক তুলনামূলক কম হলেও ছবির সার্বিক লোকসানের ঝুঁকি কমেনি।

এটি ২০২৬ সালে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের দ্বিতীয় বড় বাণিজ্যিক ব্যর্থতা। এর আগে ‘দ্য ব্রাইড!’ প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের বিপরীতে বিশ্বব্যাপী মাত্র ২৩ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিল।

অন্যদিকে, গত গ্রীষ্মে মুক্তি পাওয়া জেমস গান পরিচালিত ‘সুপারম্যান’ বিশ্বব্যাপী ৬১৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে ডিসি স্টুডিওসকে বড় সাফল্য এনে দিয়েছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নতুন ডিসি ইউনিভার্সকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হলেও ‘সুপারগার্ল’-এর দুর্বল পারফরম্যান্স সেই পরিকল্পনার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তবে ডিসি স্টুডিওসের প্রধান পিটার স্যাফ্রান বলেছেন, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনারই অংশ এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলো নিয়ে তারা আশাবাদী।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0