যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ‘নো-কিল’ পশু আশ্রয়কেন্দ্র থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্তত ১১৭টি কুকুরের মরদেহ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ২১টি কুকুরের খুলি, শত শত হাড় এবং অন্যান্য দেহাবশেষও পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, ফোরচুনা শহরের ৫০ একরজুড়ে অবস্থিত মিরান্ডাস রেসকিউ অ্যানিমেল স্যাংচুয়ারি-তে তল্লাশি চালিয়ে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীরা একটি খামারের ভেতরে এমন একটি স্থানও শনাক্ত করেছেন, যেখানে কুকুরগুলোকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া ঘটনাস্থলের কাছ থেকে ৬০০টির বেশি কুকুরের কলার উদ্ধার করা হয়েছে। শেরিফ উইলিয়াম হনসাল ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ দৃশ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
আশ্রয়কেন্দ্রটির প্রতিষ্ঠাতা শ্যনন মিরান্ডা এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় তাদের কার্যক্রমের অসম্পূর্ণ এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য সবসময় যত বেশি সম্ভব প্রাণীকে নিরাপদে উদ্ধার করা এবং একই সঙ্গে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
শেরিফের দপ্তর জানায়, চলতি বছরের এপ্রিলে পশু নির্যাতন, প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করা হয়। বর্তমানে ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ‘নো-কিল’ পশু আশ্রয়কেন্দ্র থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্তত ১১৭টি কুকুরের মরদেহ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ২১টি কুকুরের খুলি, শত শত হাড় এবং অন্যান্য দেহাবশেষও পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হামবোল্ট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, ফোরচুনা শহরের ৫০ একরজুড়ে অবস্থিত মিরান্ডাস রেসকিউ অ্যানিমেল স্যাংচুয়ারি-তে তল্লাশি চালিয়ে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীরা একটি খামারের ভেতরে এমন একটি স্থানও শনাক্ত করেছেন, যেখানে কুকুরগুলোকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া ঘটনাস্থলের কাছ থেকে ৬০০টির বেশি কুকুরের কলার উদ্ধার করা হয়েছে। শেরিফ উইলিয়াম হনসাল ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ দৃশ্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
আশ্রয়কেন্দ্রটির প্রতিষ্ঠাতা শ্যনন মিরান্ডা এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় তাদের কার্যক্রমের অসম্পূর্ণ এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য সবসময় যত বেশি সম্ভব প্রাণীকে নিরাপদে উদ্ধার করা এবং একই সঙ্গে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
শেরিফের দপ্তর জানায়, চলতি বছরের এপ্রিলে পশু নির্যাতন, প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করা হয়। বর্তমানে ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন