English / বাংলা
Editorial News 24

‘এখনো ধ্বংসস্তূপে মানুষ আটকা, ভারী যন্ত্র দরকার’



‘এখনো ধ্বংসস্তূপে মানুষ আটকা, ভারী যন্ত্র দরকার’
লা গুয়াইরাতে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত একটি ভবন। ২৭ জুন, ২০২৬ছবি: রয়টার্স

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষদের কাছে একেকটি সকাল যেন আগের চেয়ে বেশি ঘোলাটে, বেশি বিষণ্ন হয়ে উঠছে। কারণ, নতুন সকাল শুরু হওয়ার মানে হলো, আরেকটি রাত শেষ হয়ে যাওয়া, যে রাতে নিখোঁজ প্রিয়জনের অলৌকিকভাবে ফিরে পাওয়ার প্রার্থনা করে সাড়া পাওয়া যায়নি।

ভেনেজুয়েলার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জান কার্লোস রোয়া গার্সিয়া ও তাঁর পরিবারও অনেকের মতোই খোলা আকাশের নিচে দুঃস্বপ্নের রাত কাটাচ্ছে। কারাকাসে তাঁদের আবাসিক ভবন ধসে পড়েনি ঠিকই, কিন্তু সেটি এতটা ঝুঁকিপূর্ণ যে সেখানে ফেরা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় পরিবারকে কীভাবে আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নেবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন তিনি।

রোয়া গার্সিয়া বলেন, ‘আমার এখন ৫০ বছর না হয়ে যদি ৩০ বছর বয়স হতো, তবে হয়তো পারতাম। কিন্তু কোথা থেকে শুরু করব, সেটাই জানি না। আর এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।’

গার্সিয়া ভেনেজুয়েলা সরকারের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সাবেক সরকারি কর্মচারী হওয়ায় তিনি কড়া সমালোচনা করার বিষয়ে সংযত ছিলেন।

তবে সংগীতশিল্পী জাইরা কাস্ত্রোর ক্ষেত্রে এমন সংযম দেখা যায়নি। ধসে পড়া দুটি ভবনের কাছে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই ভীষণ হতাশ। কারণ, সরকার কার্যকর ও দৃশ্যমান সহায়তা দেখাতে পারছে না।’

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


‘এখনো ধ্বংসস্তূপে মানুষ আটকা, ভারী যন্ত্র দরকার’

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষদের কাছে একেকটি সকাল যেন আগের চেয়ে বেশি ঘোলাটে, বেশি বিষণ্ন হয়ে উঠছে। কারণ, নতুন সকাল শুরু হওয়ার মানে হলো, আরেকটি রাত শেষ হয়ে যাওয়া, যে রাতে নিখোঁজ প্রিয়জনের অলৌকিকভাবে ফিরে পাওয়ার প্রার্থনা করে সাড়া পাওয়া যায়নি।

ভেনেজুয়েলার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জান কার্লোস রোয়া গার্সিয়া ও তাঁর পরিবারও অনেকের মতোই খোলা আকাশের নিচে দুঃস্বপ্নের রাত কাটাচ্ছে। কারাকাসে তাঁদের আবাসিক ভবন ধসে পড়েনি ঠিকই, কিন্তু সেটি এতটা ঝুঁকিপূর্ণ যে সেখানে ফেরা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় পরিবারকে কীভাবে আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নেবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন তিনি।

রোয়া গার্সিয়া বলেন, ‘আমার এখন ৫০ বছর না হয়ে যদি ৩০ বছর বয়স হতো, তবে হয়তো পারতাম। কিন্তু কোথা থেকে শুরু করব, সেটাই জানি না। আর এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কেউ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি।’

গার্সিয়া ভেনেজুয়েলা সরকারের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সাবেক সরকারি কর্মচারী হওয়ায় তিনি কড়া সমালোচনা করার বিষয়ে সংযত ছিলেন।

তবে সংগীতশিল্পী জাইরা কাস্ত্রোর ক্ষেত্রে এমন সংযম দেখা যায়নি। ধসে পড়া দুটি ভবনের কাছে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই ভীষণ হতাশ। কারণ, সরকার কার্যকর ও দৃশ্যমান সহায়তা দেখাতে পারছে না।’


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0