আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের কম্পনে দুই দেশের বিভিন্ন শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ও অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চলে। শক্তিশালী কম্পন রাজধানী কাবুলের পাশাপাশি পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, পেশোয়ার, কোয়েটা ও পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও অনুভূত হয়।
এ পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছে।
ভূমিকম্পপ্রবণ হিন্দুকুশ অঞ্চল নিয়মিত মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে প্রায়ই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা মাথায় রেখে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রবেশ না করার পরামর্শ দিয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের কম্পনে দুই দেশের বিভিন্ন শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরবাড়ি ও অফিস থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতমালা অঞ্চলে। শক্তিশালী কম্পন রাজধানী কাবুলের পাশাপাশি পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, পেশোয়ার, কোয়েটা ও পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও অনুভূত হয়।
এ পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছে।
ভূমিকম্পপ্রবণ হিন্দুকুশ অঞ্চল নিয়মিত মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে প্রায়ই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা মাথায় রেখে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রবেশ না করার পরামর্শ দিয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন