যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশ কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আজ রোববার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটিসহ মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হামলায় ধ্বংস হয়েছে। তবে এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত বা বাহরাইনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও বলেছে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা উসকানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে, লক্ষ্যবস্তু যত ছোটই হোক না কেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের ড্রোন হামলার পর পাল্টা অভিযান চালানো হয়েছে। এর কিছু সময় পর দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর দেয় দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম, যদিও বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সাম্প্রতিক এসব পাল্টাপাল্টি হামলায় সেই সমঝোতা নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশ কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আজ রোববার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটিসহ মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা হামলায় ধ্বংস হয়েছে। তবে এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত বা বাহরাইনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।
বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও বলেছে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা উসকানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে, লক্ষ্যবস্তু যত ছোটই হোক না কেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের ড্রোন হামলার পর পাল্টা অভিযান চালানো হয়েছে। এর কিছু সময় পর দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর দেয় দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম, যদিও বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও সাম্প্রতিক এসব পাল্টাপাল্টি হামলায় সেই সমঝোতা নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন