English / বাংলা
Editorial News 24

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আঘাত



হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আঘাত

হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ এম/ভি এভার লাভলি-তে ইরানের একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মাধ্যমে ইরান সম্প্রতি হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। হামলার পর সেন্টকম জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তেহরান দাবি করেছে, তারা এর জবাবে অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করে ভবিষ্যতে আরও কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আঘাত

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ এম/ভি এভার লাভলি-তে ইরানের একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মাধ্যমে ইরান সম্প্রতি হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। হামলার পর সেন্টকম জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তেহরান দাবি করেছে, তারা এর জবাবে অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করে ভবিষ্যতে আরও কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0