প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু আহমাদি ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গান ইউটিউব লাইভে পরিবেশন করেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি হিজাব ছাড়া অংশ নেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দর্শকদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করে।
তবে ইরানের একটি আদালত ওই পারফরম্যান্সকে ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যা দেয়। গানটি প্রকাশের কিছুদিন পর পারাস্তু আহমাদি এবং তার কয়েকজন সহকর্মীকে আটক করা হয়। পরে তারা মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে থাকে।
মামলার রায়ে পারাস্তু আহমাদি এবং তার দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে চাবুক মারার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গায়িকাকে দুই বছরের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা এবং দেশত্যাগে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে রায়টি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী ও সংস্কৃতিকর্মীরা একে সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি, নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকিসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, শিল্প ও সংস্কৃতির স্বাধীন চর্চাকে সীমিত করার জন্য এমন শাস্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু আহমাদি ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গান ইউটিউব লাইভে পরিবেশন করেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি হিজাব ছাড়া অংশ নেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দর্শকদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করে।
তবে ইরানের একটি আদালত ওই পারফরম্যান্সকে ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যা দেয়। গানটি প্রকাশের কিছুদিন পর পারাস্তু আহমাদি এবং তার কয়েকজন সহকর্মীকে আটক করা হয়। পরে তারা মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে থাকে।
মামলার রায়ে পারাস্তু আহমাদি এবং তার দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে চাবুক মারার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গায়িকাকে দুই বছরের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা এবং দেশত্যাগে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে রায়টি প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী ও সংস্কৃতিকর্মীরা একে সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি, নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকিসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, শিল্প ও সংস্কৃতির স্বাধীন চর্চাকে সীমিত করার জন্য এমন শাস্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন