মার্কিন গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, জি-৭ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য জর্জিয়া মেলোনি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। ট্রাম্প বলেন, মেলোনি তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে এতটাই আগ্রহ দেখিয়েছিলেন যে শেষ পর্যন্ত তিনি সম্মতি দেন।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মেলোনি ট্রাম্পের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইতালি কখনো কারও কাছে সম্মান বা স্বীকৃতির জন্য অনুরোধ করে না।
মেলোনি আরও বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের মিত্রদের প্রতি ট্রাম্প প্রায়ই কঠোর অবস্থান নেন, অথচ প্রকৃত প্রতিপক্ষদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নমনীয় আচরণ করেন। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যকে ইতালির প্রতি অবমাননাকর বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। জি-৭ সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নেতাদের ব্যক্তিগত মন্তব্য কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
মার্কিন গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, জি-৭ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য জর্জিয়া মেলোনি অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। ট্রাম্প বলেন, মেলোনি তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে এতটাই আগ্রহ দেখিয়েছিলেন যে শেষ পর্যন্ত তিনি সম্মতি দেন।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মেলোনি ট্রাম্পের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইতালি কখনো কারও কাছে সম্মান বা স্বীকৃতির জন্য অনুরোধ করে না।
মেলোনি আরও বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের মিত্রদের প্রতি ট্রাম্প প্রায়ই কঠোর অবস্থান নেন, অথচ প্রকৃত প্রতিপক্ষদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নমনীয় আচরণ করেন। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যকে ইতালির প্রতি অবমাননাকর বলে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা। ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সম্পর্কের টানাপোড়েনকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। জি-৭ সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নেতাদের ব্যক্তিগত মন্তব্য কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন