মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গাজা, দক্ষিণ লেবানন ও দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার প্রায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত করেছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপ নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় নতুন নিরাপত্তা করিডোর ও বাফার জোন স্থাপনের পাশাপাশি লেবানন সীমান্তের কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় সেনা মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। একই সময়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি সংলগ্ন অঞ্চলেও নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
ইসরায়েলের দাবি, হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।
এদিকে ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়ার পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সামরিক নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলে বাস্তবতা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে তেল আবিব।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ফিলিস্তিনেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং লেবানন ও সিরিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জানাচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গাজা, দক্ষিণ লেবানন ও দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার প্রায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত করেছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপ নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় নতুন নিরাপত্তা করিডোর ও বাফার জোন স্থাপনের পাশাপাশি লেবানন সীমান্তের কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় সেনা মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। একই সময়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি সংলগ্ন অঞ্চলেও নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
ইসরায়েলের দাবি, হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।
এদিকে ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়ার পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সামরিক নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলে বাস্তবতা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে তেল আবিব।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ফিলিস্তিনেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং লেবানন ও সিরিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জানাচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন