English / বাংলা
Editorial News 24

গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সামরিক নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে ইসরায়েল



গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সামরিক নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গাজা, দক্ষিণ লেবানন ও দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার প্রায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত করেছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপ নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় নতুন নিরাপত্তা করিডোর ও বাফার জোন স্থাপনের পাশাপাশি লেবানন সীমান্তের কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় সেনা মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। একই সময়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি সংলগ্ন অঞ্চলেও নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।

এদিকে ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়ার পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সামরিক নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলে বাস্তবতা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে তেল আবিব।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ফিলিস্তিনেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং লেবানন ও সিরিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জানাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় সামরিক নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে ইসরায়েল

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গাজা, দক্ষিণ লেবানন ও দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার প্রায় ১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত করেছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপ নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকায় নতুন নিরাপত্তা করিডোর ও বাফার জোন স্থাপনের পাশাপাশি লেবানন সীমান্তের কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় সেনা মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। একই সময়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি সংলগ্ন অঞ্চলেও নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় এসব পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।

এদিকে ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়ার পক্ষ থেকে ইসরায়েলের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সামরিক নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলে বাস্তবতা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে তেল আবিব।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু ফিলিস্তিনেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং লেবানন ও সিরিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের আহ্বান জানাচ্ছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0