ফেনীর গণঅভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম হত্যার মামলায় আত্মগোপনে থাকা ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী।
শনিবার (১৩ জুন) একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ছালামাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আদালতের মতে, তারা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক বা আত্মগোপনে রয়েছেন এবং শিগগির গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা নেই।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-বি(১) ধারার আওতায় প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে আসামিদের ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ফেনীর মহিপালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নিহত শিক্ষার্থী মাসুমের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ফেনী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে শেখ হাসিনাসহ ১৭১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর জন্য প্ররোচনা, উসকানি ও নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে আসামিরা জড়িত ছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ছাগলনাইয়ার আবদুল হক চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম। মাথা, বুক ও পিঠে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওইদিনের সহিংসতায় মোট নয়জন প্রাণ হারান।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ফেনীর গণঅভ্যুত্থান চলাকালে শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম হত্যার মামলায় আত্মগোপনে থাকা ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী।
শনিবার (১৩ জুন) একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ছালামাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আদালতের মতে, তারা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক বা আত্মগোপনে রয়েছেন এবং শিগগির গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা নেই।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-বি(১) ধারার আওতায় প্রকাশিত এ বিজ্ঞপ্তিতে আসামিদের ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ফেনীর মহিপালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নিহত শিক্ষার্থী মাসুমের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ফেনী মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে শেখ হাসিনাসহ ১৭১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর জন্য প্ররোচনা, উসকানি ও নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে আসামিরা জড়িত ছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন ছাগলনাইয়ার আবদুল হক চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম। মাথা, বুক ও পিঠে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওইদিনের সহিংসতায় মোট নয়জন প্রাণ হারান।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন