রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের চলমান হামলা রাশিয়ার অর্থনীতি ও সমাজে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। সাম্প্রতিক এক বৈঠকে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা, গোলাবর্ষণ এবং নিরাপত্তা হুমকির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
পুতিন জানান, এসব হামলার ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তবে তিনি দাবি করেন, এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও রাশিয়ার অর্থনীতি এখনো স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ বাড়ছে।
২০২২ সালে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব দুই দেশেই গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষই ড্রোন ও দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে, যার ফলে সংঘাতের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
পুতিনের এই মন্তব্যকে অনেকেই যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর সৃষ্ট চাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের চলমান হামলা রাশিয়ার অর্থনীতি ও সমাজে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। সাম্প্রতিক এক বৈঠকে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় ড্রোন হামলা, গোলাবর্ষণ এবং নিরাপত্তা হুমকির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
পুতিন জানান, এসব হামলার ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা নিয়মিত অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তবে তিনি দাবি করেন, এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও রাশিয়ার অর্থনীতি এখনো স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ বাড়ছে।
২০২২ সালে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব দুই দেশেই গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষই ড্রোন ও দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে, যার ফলে সংঘাতের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
পুতিনের এই মন্তব্যকে অনেকেই যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর সৃষ্ট চাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখছেন।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন