English / বাংলা
Editorial News 24

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে

স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি



স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বুধবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) অর্থায়নে ‘হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এইচএনপিএডিপি)’ বাস্তবায়নের জন্য এ অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে, যা ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) সমপরিমাণ। এছাড়া গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।এই অর্থায়নের আওতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য সারাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা জোরদার এবং সেবার কার্যকারিতা উন্নয়ন।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ‘ক্লাইমেট রেসপনসিভ রিপ্রোডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট ফর রেজাল্টস’ বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলে প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবার গুণগত মান, দক্ষতা এবং সেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ৩৭৯ মিলিয়ন ডলারের ঋণ ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক ০.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ এবং ১.২৫ শতাংশ সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অনুত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক ০.৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও বিশ্বব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এ ফি আদায় থেকে বিরত রয়েছে।

সরকারের আশা, এই অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, পুষ্টি সেবা সম্প্রসারণ এবং জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান চুক্তি

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বুধবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) অর্থায়নে ‘হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এইচএনপিএডিপি)’ বাস্তবায়নের জন্য এ অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে, যা ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) সমপরিমাণ। এছাড়া গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।এই অর্থায়নের আওতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য সারাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা জোরদার এবং সেবার কার্যকারিতা উন্নয়ন।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ‘ক্লাইমেট রেসপনসিভ রিপ্রোডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট ফর রেজাল্টস’ বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলে প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবার গুণগত মান, দক্ষতা এবং সেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ৩৭৯ মিলিয়ন ডলারের ঋণ ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক ০.৭৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ এবং ১.২৫ শতাংশ সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অনুত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক ০.৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও বিশ্বব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এ ফি আদায় থেকে বিরত রয়েছে।

সরকারের আশা, এই অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, পুষ্টি সেবা সম্প্রসারণ এবং জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0