ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ জুন নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রবিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। ঘটনাটি ঘটে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে মামলায় হত্যার অভিযোগ যুক্ত করা হয়। গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজনের আদেশ দেন।
পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।তবে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে প্রদান করেন।ডিবির দাখিল করা অভিযোগপত্রে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি ৬ জন পলাতক বলে জানা গেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ জুন নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রবিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। ঘটনাটি ঘটে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে।এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে মামলায় হত্যার অভিযোগ যুক্ত করা হয়। গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযোজনের আদেশ দেন।
পরবর্তীতে গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।তবে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে প্রদান করেন।ডিবির দাখিল করা অভিযোগপত্রে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি ৬ জন পলাতক বলে জানা গেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন