English / বাংলা
Editorial News 24

কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আকাশেই ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী



কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আকাশেই ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ব্যর্থ হয়।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করেছে।
তাদের দাবি, কুয়েতে থাকা একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
এছাড়া বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরও লক্ষ্যবস্তু ছিল।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই নতুন একটি ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্র চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে।
ড্রোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz প্রণালীর দিকে যাচ্ছিল বলে জানানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মতে, এগুলো আঞ্চলিক নৌ চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল।
এরপর পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়।
গোরুক ও Qeshm Island দ্বীপের রাডার কেন্দ্র লক্ষ্য করে এ আঘাত হানা হয়।
সেন্টকম বলেছে, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ইউরেনিয়ামের নিয়ন্ত্রণ পেতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অপরিহার্য নয়।
ট্রাম্পের দাবি, চাইলে যুক্তরাষ্ট্র এখনই তা দখলে নিতে পারে।
তবে বর্তমানে সেটির প্রয়োজন নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আকাশেই ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ব্যর্থ হয়।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করেছে।
তাদের দাবি, কুয়েতে থাকা একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
এছাড়া বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরও লক্ষ্যবস্তু ছিল।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই নতুন একটি ঘটনা ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্র চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে।
ড্রোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz প্রণালীর দিকে যাচ্ছিল বলে জানানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মতে, এগুলো আঞ্চলিক নৌ চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল।
এরপর পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়।
গোরুক ও Qeshm Island দ্বীপের রাডার কেন্দ্র লক্ষ্য করে এ আঘাত হানা হয়।
সেন্টকম বলেছে, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ইউরেনিয়ামের নিয়ন্ত্রণ পেতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অপরিহার্য নয়।
ট্রাম্পের দাবি, চাইলে যুক্তরাষ্ট্র এখনই তা দখলে নিতে পারে।
তবে বর্তমানে সেটির প্রয়োজন নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে।


Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0