রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin বলেছেন, বর্তমানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট Volodymyr Zelenskyy-এর সঙ্গে বৈঠকের কোনো প্রয়োজন তিনি দেখছেন না।
শুক্রবার সেন্ট পিটার্সবার্গে এক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে জেলেনস্কি একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছিলেন।
চিঠিতে তিনি যুদ্ধ বন্ধে মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব দেন।
এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কাছেও পাঠানো হয়।
জেলেনস্কির দাবি, দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে অনেক রুশ নাগরিক ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।
মিসাইল ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকট জনগণের অসন্তোষ বাড়াচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে পুতিনের রাজনৈতিক অবস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে পুতিন চিঠিটিকে আন্তরিক শান্তি উদ্যোগ হিসেবে দেখেননি।
তার ভাষায়, এতে বেশ কিছু ‘অভদ্র মন্তব্য’ ছিল।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এটি কি সত্যিই আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা ছিল, নাকি বৈঠক এড়ানোর কৌশল।
পুতিনের মতে, দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
তিনি বলেন, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা অর্জন।
স্বল্পমেয়াদি বা কয়েক মাসের চুক্তি যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পুতিন আরও বলেন, ইউক্রেন কেন যুক্তরাষ্ট্রকে শান্তি আলোচনার গ্যারান্টর হিসেবে দেখতে চায় না, তা তিনি বুঝতে পারেন না।
এ প্রসঙ্গে তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তবে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান শান্তি প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের অবস্থান নমনীয় না হলে দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম।
ফলে যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক উদ্যোগ এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin বলেছেন, বর্তমানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট Volodymyr Zelenskyy-এর সঙ্গে বৈঠকের কোনো প্রয়োজন তিনি দেখছেন না।
শুক্রবার সেন্ট পিটার্সবার্গে এক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে জেলেনস্কি একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছিলেন।
চিঠিতে তিনি যুদ্ধ বন্ধে মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব দেন।
এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কাছেও পাঠানো হয়।
জেলেনস্কির দাবি, দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে অনেক রুশ নাগরিক ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।
মিসাইল ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকট জনগণের অসন্তোষ বাড়াচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে পুতিনের রাজনৈতিক অবস্থানও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে পুতিন চিঠিটিকে আন্তরিক শান্তি উদ্যোগ হিসেবে দেখেননি।
তার ভাষায়, এতে বেশ কিছু ‘অভদ্র মন্তব্য’ ছিল।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এটি কি সত্যিই আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা ছিল, নাকি বৈঠক এড়ানোর কৌশল।
পুতিনের মতে, দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
তিনি বলেন, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা অর্জন।
স্বল্পমেয়াদি বা কয়েক মাসের চুক্তি যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পুতিন আরও বলেন, ইউক্রেন কেন যুক্তরাষ্ট্রকে শান্তি আলোচনার গ্যারান্টর হিসেবে দেখতে চায় না, তা তিনি বুঝতে পারেন না।
এ প্রসঙ্গে তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তবে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান শান্তি প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের অবস্থান নমনীয় না হলে দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম।
ফলে যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক উদ্যোগ এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ নাজমুল ইসলাম
অফিস: এম জি টাওয়ার লেভেল ৭, ৩৮৯/বি ডি আই টি রোড, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯
ফোন: ০১৬১০৬৫৬৫৫৩
ইমেইল: info@editorialnews24.com
আপনার মতামত লিখুন