২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী ফ্রান্স জাতীয় দল সাম্প্রতিক এক প্রস্তুতি ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত ‘লে ব্লু’দের এই হার শুধু ফলাফলের কারণে নয়, বরং পুরো ম্যাচজুড়ে তাদের দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণেও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ম্যাচে ফ্রান্স নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পায়নি। রক্ষণভাগে ছিল অসংগতি, মাঝমাঠে ছিল সমন্বয়ের অভাব এবং আক্রমণভাগও প্রত্যাশিত কার্যকারিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে যে সমস্যাগুলো দেখা যাচ্ছিল, আইভরি কোস্টের বিপক্ষে সেগুলো আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এদিকে ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশঁকে নিয়েও সমালোচনা বাড়ছে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় এবং ২০২২ সালে রানার্স-আপ হওয়ার মতো সাফল্য থাকলেও, দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে একই নেতৃত্বে দলটি এখন কিছুটা গতিহীন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। দলের কৌশলগত বৈচিত্র্যের অভাব এবং রক্ষণাত্মক ফুটবল দর্শন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ক্রমশ।
অন্যদিকে দলের সবচেয়ে বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকেও ঘিরে রয়েছে নানা আলোচনা। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তার কাছ থেকে যে ধরনের প্রভাবশালী পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা সবসময় দেখা যায়নি। যদিও তার ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান এখনও প্রশংসনীয়, তবে বড় ম্যাচে প্রভাব বিস্তার এবং দলের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
ফ্রান্সের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, গত কয়েক বছর ধরে এমবাপ্পেই ছিলেন সেই খেলোয়াড় যিনি একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারতেন। যদি তিনি বিশ্বকাপের আগে নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে না পারেন, তাহলে দলের সাম্প্রতিক দুর্বলতাগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে।
তবে সবকিছুর পরও ফ্রান্সের হাতে এখনও সময় রয়েছে নিজেদের ভুল শুধরে নেওয়ার। বিশ্বমানের খেলোয়াড়ে ভরপুর এই দলটি যে কোনো সময় ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম। কিন্তু আইভরি কোস্টের বিপক্ষে এই হার, দেশঁর নেতৃত্ব নিয়ে বাড়তে থাকা প্রশ্ন এবং এমবাপ্পেকে ঘিরে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্সকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক নতুন দুশ্চিন্তার আবহ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী ফ্রান্স জাতীয় দল সাম্প্রতিক এক প্রস্তুতি ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত ‘লে ব্লু’দের এই হার শুধু ফলাফলের কারণে নয়, বরং পুরো ম্যাচজুড়ে তাদের দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণেও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ম্যাচে ফ্রান্স নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পায়নি। রক্ষণভাগে ছিল অসংগতি, মাঝমাঠে ছিল সমন্বয়ের অভাব এবং আক্রমণভাগও প্রত্যাশিত কার্যকারিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে যে সমস্যাগুলো দেখা যাচ্ছিল, আইভরি কোস্টের বিপক্ষে সেগুলো আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এদিকে ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশঁকে নিয়েও সমালোচনা বাড়ছে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় এবং ২০২২ সালে রানার্স-আপ হওয়ার মতো সাফল্য থাকলেও, দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে একই নেতৃত্বে দলটি এখন কিছুটা গতিহীন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। দলের কৌশলগত বৈচিত্র্যের অভাব এবং রক্ষণাত্মক ফুটবল দর্শন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ক্রমশ।
অন্যদিকে দলের সবচেয়ে বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকেও ঘিরে রয়েছে নানা আলোচনা। রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তার কাছ থেকে যে ধরনের প্রভাবশালী পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা সবসময় দেখা যায়নি। যদিও তার ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান এখনও প্রশংসনীয়, তবে বড় ম্যাচে প্রভাব বিস্তার এবং দলের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
ফ্রান্সের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, গত কয়েক বছর ধরে এমবাপ্পেই ছিলেন সেই খেলোয়াড় যিনি একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারতেন। যদি তিনি বিশ্বকাপের আগে নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে না পারেন, তাহলে দলের সাম্প্রতিক দুর্বলতাগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে।
তবে সবকিছুর পরও ফ্রান্সের হাতে এখনও সময় রয়েছে নিজেদের ভুল শুধরে নেওয়ার। বিশ্বমানের খেলোয়াড়ে ভরপুর এই দলটি যে কোনো সময় ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম। কিন্তু আইভরি কোস্টের বিপক্ষে এই হার, দেশঁর নেতৃত্ব নিয়ে বাড়তে থাকা প্রশ্ন এবং এমবাপ্পেকে ঘিরে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্সকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক নতুন দুশ্চিন্তার আবহ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন