রাশিয়া ও আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান প্রশাসনের মধ্যে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। মস্কোতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ফোরামে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়, যেখানে উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বৈঠকে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুবসহ তালেবান প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি ও কার্যক্রম সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। যদিও চুক্তির পরিধি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, উভয় পক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সীমিত তথ্য প্রকাশ করেছে।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়াকুব বৈঠকে রাশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, রাশিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় সক্রিয় উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আইএসআইএস-খোরাসানকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে তালেবান প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দেশের মাটি অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং পারস্পরিক কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন। একই সঙ্গে এটি মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, চুক্তিটি ভবিষ্যতে রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পথ তৈরি করতে পারে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
রাশিয়া ও আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান প্রশাসনের মধ্যে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। মস্কোতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ফোরামে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়, যেখানে উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বৈঠকে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুবসহ তালেবান প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি ও কার্যক্রম সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। যদিও চুক্তির পরিধি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, উভয় পক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সীমিত তথ্য প্রকাশ করেছে।
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়াকুব বৈঠকে রাশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, রাশিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় সক্রিয় উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আইএসআইএস-খোরাসানকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে তালেবান প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দেশের মাটি অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হতে পারে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং পারস্পরিক কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন। একই সঙ্গে এটি মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, চুক্তিটি ভবিষ্যতে রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পথ তৈরি করতে পারে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন