বলিউডের ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিত ইমরান হাশমির পর্দার সেই আলোচিত ইমেজের পেছনে লুকিয়ে ছিল এক চমকপ্রদ মার্কেটিং কৌশল। বছরের পর বছর ধরে দর্শকরা যেটিকে তার ব্যক্তিগত স্টাইল বলে মনে করতেন, সেটি আসলে ছিল সুপরিকল্পিত প্রচারণার অংশ।
সম্প্রতি অভিনেত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্টে হাজির হয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেন খ্যাতনামা পিআর বিশেষজ্ঞ পারুল গোসাই।
তার দাবি, ক্যারিয়ারের শুরুতে ইমরান হাশমিকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলতেই এই ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ তৈরি করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে তার চুম্বন দৃশ্য নিয়ে খবরের বিপুল পাঠকপ্রিয়তা দেখে এমন পরিকল্পনার জন্ম হয়।
পারুল জানান, তিনি মহেশ ভাটকে পরামর্শ দেন এমন একটি ভাবমূর্তি তৈরি করতে, যাতে দর্শকরা মনে করেন ইমরান প্রায় প্রতিটি সিনেমায় নায়িকাদের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অংশ নেন। মহেশ ভাটও পরিকল্পনাটি সঙ্গে সঙ্গে অনুমোদন দেন।
তবে শুরুতে এই পরিকল্পনা নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন ইমরান। বিশেষ করে তার স্ত্রী পারভীন বিষয়টি কীভাবে নেবেন, তা নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। পরে বিষয়টি শুধুই প্রচারণার অংশ বলে বোঝানো হলে তিনি এতে সম্মতি দেন।
২০০৪ সালে ‘মার্ডার’ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন ইমরান হাশমি। মল্লিকা শেরাওয়াতের সঙ্গে তার রসায়ন এবং সাহসী দৃশ্যগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এরপর থেকেই ‘সিরিয়াল কিসার’ তকমা তার নামের সঙ্গে স্থায়ীভাবে জুড়ে যায়।
মজার বিষয় হলো, পরবর্তীতে ইমরান নিজেও স্বীকার করেন যে ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য তারা সচেতনভাবেই এই ইমেজকে কাজে লাগিয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি ‘জান্নাত’, ‘আওয়ারাপন’ ও ‘সাংহাই’-এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।
তবুও আজও কোনো সংবাদ সম্মেলনে গেলেই ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হয় তাকে। কারণ একবার দর্শকের মনে কোনো পরিচয় গেঁথে গেলে তা মুছে ফেলা সহজ নয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বলিউডের ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিত ইমরান হাশমির পর্দার সেই আলোচিত ইমেজের পেছনে লুকিয়ে ছিল এক চমকপ্রদ মার্কেটিং কৌশল। বছরের পর বছর ধরে দর্শকরা যেটিকে তার ব্যক্তিগত স্টাইল বলে মনে করতেন, সেটি আসলে ছিল সুপরিকল্পিত প্রচারণার অংশ।
সম্প্রতি অভিনেত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্টে হাজির হয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেন খ্যাতনামা পিআর বিশেষজ্ঞ পারুল গোসাই।
তার দাবি, ক্যারিয়ারের শুরুতে ইমরান হাশমিকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলতেই এই ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ তৈরি করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে তার চুম্বন দৃশ্য নিয়ে খবরের বিপুল পাঠকপ্রিয়তা দেখে এমন পরিকল্পনার জন্ম হয়।
পারুল জানান, তিনি মহেশ ভাটকে পরামর্শ দেন এমন একটি ভাবমূর্তি তৈরি করতে, যাতে দর্শকরা মনে করেন ইমরান প্রায় প্রতিটি সিনেমায় নায়িকাদের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অংশ নেন। মহেশ ভাটও পরিকল্পনাটি সঙ্গে সঙ্গে অনুমোদন দেন।
তবে শুরুতে এই পরিকল্পনা নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন ইমরান। বিশেষ করে তার স্ত্রী পারভীন বিষয়টি কীভাবে নেবেন, তা নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। পরে বিষয়টি শুধুই প্রচারণার অংশ বলে বোঝানো হলে তিনি এতে সম্মতি দেন।
২০০৪ সালে ‘মার্ডার’ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন ইমরান হাশমি। মল্লিকা শেরাওয়াতের সঙ্গে তার রসায়ন এবং সাহসী দৃশ্যগুলো দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এরপর থেকেই ‘সিরিয়াল কিসার’ তকমা তার নামের সঙ্গে স্থায়ীভাবে জুড়ে যায়।
মজার বিষয় হলো, পরবর্তীতে ইমরান নিজেও স্বীকার করেন যে ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য তারা সচেতনভাবেই এই ইমেজকে কাজে লাগিয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি ‘জান্নাত’, ‘আওয়ারাপন’ ও ‘সাংহাই’-এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।
তবুও আজও কোনো সংবাদ সম্মেলনে গেলেই ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ নিয়ে প্রশ্ন শুনতে হয় তাকে। কারণ একবার দর্শকের মনে কোনো পরিচয় গেঁথে গেলে তা মুছে ফেলা সহজ নয়।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন