মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে। স্যাটেলাইট চিত্র ও ভিডিও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিবিসি ভেরিফাই দাবি করেছে, প্রকাশ্যে স্বীকার করা তথ্যের তুলনায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্টেশন, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানে মোতায়েন থাকা কয়েকটি অত্যাধুনিক থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
এছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত এবং অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও যুদ্ধবিমান, ড্রোন, জ্বালানি বাংকার ও যোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষতির চিত্র পাওয়া গেছে। কিছু স্যাটেলাইট চিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বিমান ও বিস্ফোরণের চিহ্নও দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। নিরাপত্তাজনিত কারণে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলেও জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে। স্যাটেলাইট চিত্র ও ভিডিও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিবিসি ভেরিফাই দাবি করেছে, প্রকাশ্যে স্বীকার করা তথ্যের তুলনায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্টেশন, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানে মোতায়েন থাকা কয়েকটি অত্যাধুনিক থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
এছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত এবং অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও যুদ্ধবিমান, ড্রোন, জ্বালানি বাংকার ও যোগাযোগ অবকাঠামোর ক্ষতির চিত্র পাওয়া গেছে। কিছু স্যাটেলাইট চিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বিমান ও বিস্ফোরণের চিহ্নও দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। নিরাপত্তাজনিত কারণে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলেও জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাতের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন