রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের দাবি, এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে হাজারো গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধনে অংশ নেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের সরাতে জলকামান, টিয়ার শেল ও লাঠিচার্জ করে। পরে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের নেতারা জানান, নতুন চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছিলেন।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৪ মে খুরশিদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। তার দাবি, এই নিয়োগে সরকারি হস্তক্ষেপ রয়েছে এবং ব্যাংকে বিতর্কিত গ্রুপ-সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংকে তারল্য সংকট চলছে, ফলে অনেক গ্রাহক চেক ও এটিএম থেকে টাকা তুলতে সমস্যায় পড়ছেন।
আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল, সংশ্লিষ্টদের অপসারণ এবং ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের দাবি, এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে হাজারো গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধনে অংশ নেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালায়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের সরাতে জলকামান, টিয়ার শেল ও লাঠিচার্জ করে। পরে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের নেতারা জানান, নতুন চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছিলেন।
সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৪ মে খুরশিদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। তার দাবি, এই নিয়োগে সরকারি হস্তক্ষেপ রয়েছে এবং ব্যাংকে বিতর্কিত গ্রুপ-সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংকে তারল্য সংকট চলছে, ফলে অনেক গ্রাহক চেক ও এটিএম থেকে টাকা তুলতে সমস্যায় পড়ছেন।
আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল, সংশ্লিষ্টদের অপসারণ এবং ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন