দক্ষিণ চীন সাগর সংলগ্ন বিতর্কিত জলসীমায় নতুন করে বিশেষ সামরিক টহল শুরু করেছে চীন। তাইওয়ান দ্বীপের পূর্ব দিকের কৌশলগত জলসীমায় চায়না কোস্ট গার্ড (সিসিজি) এই টহল পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।
চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাপান ও ফিলিপাইন একতরফাভাবে সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ ও যৌথ আলোচনার ঘোষণা দেওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চায়না কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র জিয়াং লুয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, জাপান ও ফিলিপাইনের এমন পদক্ষেপ চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ টহল পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “চীনের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।”
বেইজিং আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের ‘অবৈধ কার্যক্রম’ বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাইওয়ান প্রণালি ও দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র জাপান ও ফিলিপাইনের সঙ্গে চীনের টানাপোড়েন আরও তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগর সংলগ্ন বিতর্কিত জলসীমায় নতুন করে বিশেষ সামরিক টহল শুরু করেছে চীন। তাইওয়ান দ্বীপের পূর্ব দিকের কৌশলগত জলসীমায় চায়না কোস্ট গার্ড (সিসিজি) এই টহল পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।
চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাপান ও ফিলিপাইন একতরফাভাবে সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ ও যৌথ আলোচনার ঘোষণা দেওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চায়না কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র জিয়াং লুয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, জাপান ও ফিলিপাইনের এমন পদক্ষেপ চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে। তাই জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ টহল পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “চীনের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।”
বেইজিং আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, যেকোনো ধরনের ‘অবৈধ কার্যক্রম’ বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাইওয়ান প্রণালি ও দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র জাপান ও ফিলিপাইনের সঙ্গে চীনের টানাপোড়েন আরও তীব্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন