উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের শ্রেষ্ঠ ক্লাবের মুকুট ধরে রাখল ফরাসি জায়ান্টরা।
শনিবার বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই শেষ হাসি হাসে লুইস এনরিকের দল।
টাইব্রেকারে শুরুতে দুই দলের শটগুলো জালে জড়ালেও প্রথম বড় ভুলটি করেন আর্সেনালের এবেরেচি এজে। তার দুর্বল শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে পরক্ষণেই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক দাভিদ রায়া, যা গানারদের আশা জাগিয়ে তোলে।
এরপর উভয় দলের পরবর্তী দুটি করে শট সফল হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চাপ সামলাতে পারেননি আর্সেনাল ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল। তার শট ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে গেলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
ম্যাচের শুরুতে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে উসমান দেম্বেলে স্পট কিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান পিএসজির হয়ে। এরপর আর কোনো দল গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।
সম্প্রতি ২২ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছিল আর্সেনাল। তবে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতায় এবারও অধরা রয়ে গেল তাদের স্বপ্ন। এর আগে ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।
অন্যদিকে, বহু বছরের স্বপ্ন পূরণ করে গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল পিএসজি। এবার সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা ঘরে তুলল এনরিকের শিষ্যরা। এতে ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজেদের নতুন যুগের শক্তিশালী দল হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করল ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের শ্রেষ্ঠ ক্লাবের মুকুট ধরে রাখল ফরাসি জায়ান্টরা।
শনিবার বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই শেষ হাসি হাসে লুইস এনরিকের দল।
টাইব্রেকারে শুরুতে দুই দলের শটগুলো জালে জড়ালেও প্রথম বড় ভুলটি করেন আর্সেনালের এবেরেচি এজে। তার দুর্বল শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে পরক্ষণেই পিএসজির নুনো মেন্দেসের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক দাভিদ রায়া, যা গানারদের আশা জাগিয়ে তোলে।
এরপর উভয় দলের পরবর্তী দুটি করে শট সফল হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চাপ সামলাতে পারেননি আর্সেনাল ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল। তার শট ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে গেলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
ম্যাচের শুরুতে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে উসমান দেম্বেলে স্পট কিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান পিএসজির হয়ে। এরপর আর কোনো দল গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।
সম্প্রতি ২২ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছিল আর্সেনাল। তবে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতায় এবারও অধরা রয়ে গেল তাদের স্বপ্ন। এর আগে ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।
অন্যদিকে, বহু বছরের স্বপ্ন পূরণ করে গত মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল পিএসজি। এবার সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা ঘরে তুলল এনরিকের শিষ্যরা। এতে ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজেদের নতুন যুগের শক্তিশালী দল হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করল ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন