English / বাংলা
Editorial News 24

রানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস ও লারক দ্বীপের আশপাশে এফ-২২ র‍্যাপ্টর যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়

হরমুজে মার্কিন হামলার পর তীব্র উত্তেজনা, পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের



হরমুজে মার্কিন হামলার পর তীব্র উত্তেজনা, পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

ওমান উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস ও লারক দ্বীপের আশপাশে এফ-২২ র‍্যাপ্টর যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, ওই এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং মাইন স্থাপনকারী নৌযান সক্রিয় ছিল, যা বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল।

সেন্টকমের মুখপাত্র নেভি ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকলেও নিজেদের বাহিনী ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে ‘উস্কানিমূলক আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাসের কাছে বিস্ফোরণে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কয়েকজন সদস্য হতাহত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা অব্যাহত থাকলে এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

এদিকে কাতার ও ওমানে দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার বিষয়ে আলোচনা চলছিল। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় উত্তেজনার প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি থাকলেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, কূটনৈতিক আলোচনা ইতিবাচক পথে এগোচ্ছে। তবে একই সময়ে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিলে পুরো অঞ্চল নতুন করে ভয়াবহ সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


হরমুজে মার্কিন হামলার পর তীব্র উত্তেজনা, পাল্টা হুঁশিয়ারি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

ওমান উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইরানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাস ও লারক দ্বীপের আশপাশে এফ-২২ র‍্যাপ্টর যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ব্যবহার করে অভিযান চালানো হয়। তাদের দাবি, ওই এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং মাইন স্থাপনকারী নৌযান সক্রিয় ছিল, যা বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল।

সেন্টকমের মুখপাত্র নেভি ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকলেও নিজেদের বাহিনী ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে ‘উস্কানিমূলক আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বন্দর আব্বাসের কাছে বিস্ফোরণে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কয়েকজন সদস্য হতাহত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা অব্যাহত থাকলে এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

এদিকে কাতার ও ওমানে দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার বিষয়ে আলোচনা চলছিল। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় উত্তেজনার প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি থাকলেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, কূটনৈতিক আলোচনা ইতিবাচক পথে এগোচ্ছে। তবে একই সময়ে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিলে পুরো অঞ্চল নতুন করে ভয়াবহ সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0