ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন ধসের ঘটনায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭ জন। নিখোঁজদের বেশির ভাগই নির্মাণশ্রমিক বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী ম্যানিলার উত্তরে অ্যাঞ্জেলেস শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী এক মালয়েশীয় নাগরিকও রয়েছেন। তার মরদেহ পাশের একটি হোটেল ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়।
রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও দুজনকে বের করা হলেও পরে তাদের মৃত্যু হয়। আঞ্চলিক ফায়ার প্রোটেকশন ব্যুরোর তথ্য কর্মকর্তা মারিয়া লিয়া সাজিলি জানান, একজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। অন্যজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপ-সংবেদনশীল স্ক্যানে ধ্বংসস্তূপের নিচে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের লক্ষণ পাওয়া গেছে। ফলে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত নকশায় ভবনটি নয়তলা কনডো-হোটেল হওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত ১০ম তলায় একটি সুইমিং পুল নির্মাণ করা হচ্ছিল।
অ্যাঞ্জেলেস সিটির মেয়র কারমেলো লাজাতিন জানিয়েছেন, ভবনের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে এবং সেখানে ঠিক কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন, সে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে নিখোঁজদের স্বজনরা উদ্ধার তৎপরতার ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নিখোঁজ এক শ্রমিকের স্ত্রী লিয়া কাসিলাও বলেন, তার ছোট সন্তান বাবার খোঁজ জানতে চাইছে, কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দিতে পারছেন না।
আরেক স্বজন লরেনা অংকাও অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের যথেষ্ট তথ্য দিচ্ছে না। তিনি জানান, তার ভাই ও ভাবিও নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন ধসের ঘটনায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭ জন। নিখোঁজদের বেশির ভাগই নির্মাণশ্রমিক বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী ম্যানিলার উত্তরে অ্যাঞ্জেলেস শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী এক মালয়েশীয় নাগরিকও রয়েছেন। তার মরদেহ পাশের একটি হোটেল ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়।
রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও দুজনকে বের করা হলেও পরে তাদের মৃত্যু হয়। আঞ্চলিক ফায়ার প্রোটেকশন ব্যুরোর তথ্য কর্মকর্তা মারিয়া লিয়া সাজিলি জানান, একজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। অন্যজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপ-সংবেদনশীল স্ক্যানে ধ্বংসস্তূপের নিচে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের লক্ষণ পাওয়া গেছে। ফলে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত নকশায় ভবনটি নয়তলা কনডো-হোটেল হওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত ১০ম তলায় একটি সুইমিং পুল নির্মাণ করা হচ্ছিল।
অ্যাঞ্জেলেস সিটির মেয়র কারমেলো লাজাতিন জানিয়েছেন, ভবনের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে এবং সেখানে ঠিক কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন, সে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে নিখোঁজদের স্বজনরা উদ্ধার তৎপরতার ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নিখোঁজ এক শ্রমিকের স্ত্রী লিয়া কাসিলাও বলেন, তার ছোট সন্তান বাবার খোঁজ জানতে চাইছে, কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দিতে পারছেন না।
আরেক স্বজন লরেনা অংকাও অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের যথেষ্ট তথ্য দিচ্ছে না। তিনি জানান, তার ভাই ও ভাবিও নিখোঁজ রয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন